খবর লাইভ : আর কোনও রাখঢাক নয়। করোনা বায়ুবাহিত বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এর অর্থ, শুধু ড্রপলেট নয়। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এরোসল (ক্ষুদ্র জলকণা যা বাতাসে ভেসে থাকতে পারে) থেকেও।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি জানিয়েছিল, সংক্রমিত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি কিংবা কথা বলার সময় যে ড্রপলেট বা জলকণা বের হয় তা বাতাসে ভেসে অন্য কাউকে সংক্রমিত করতে পারে। তাদের এই দাবি মেনে নিয়ে এক বছর পর কোভিড প্রোটোকল বদলালো কেন্দ্র। গতবছর জুনে প্রকাশিত কোভিড ১৯ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট প্রটোকলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলে, এই সংক্রমণ বায়ুবাহিত নয়। আক্রান্তের সংখ্যা ক্লোজ কন্টাক্ট এর মাধ্যমে ছড়ায়। অর্থাৎ সংক্রমিতের হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে যাওয়া ড্রপলেট সরাসরি কোনও ব্যক্তির শ্বাসনালিতে ঢুকে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে ৬ ফুট পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়। এমনকী সারফেস ট্রান্সমিশনের কোথাও বলা হয়েছিল।
কেন্দ্রের নয়া প্রোটোকলে, এই দুটি সম্ভাবনা বাদ পড়েনি। তবে নতুন করে জুড়েছে বায়ুবাহিত সংক্রমণের তত্ত্বটি। এক্ষেত্রে ১০ মিটারের দূরত্ব জরুরি। বদ্ধ বা ছোট জায়গায় সংক্রমণের আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা। কারণ আক্রান্তের এরোসেল বদ্ধ ঘরে অনেকক্ষণ বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।
নতুন নিয়ম থেকে বাদ গিয়েছে প্লাজমা থেরাপিও। ১৭ মে কেন্দ্রের কোভিড প্যানেল জানিয়েছিল, এই থেরাপি বিশেষ কার্যকরী নয়। প্লাজমা থেরাপি তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে এইমস ও আইসিএমআরের পরামর্শের কথা মাথায় রাখা হয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।



