খবর লাইভ : বাংলায় ২১ এর মহারণে ২০০-র বেশি আসনে পদ্ম ফুটবে, এমনই দাবি করেছিলেন বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ। ফল বেরোতেই দেখা গেল অন্য চিত্র। দলের এই বিপর্যয়ের পোস্টমর্টেম করতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকাকে বিঁধেছেন শুভেন্দু অধিকারী-অর্জুন সিং ও সৌমিত্র খাঁ-রা।
শুক্রবার বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘের সামনেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। তিন নেতার এই মন্তব্যে আবার বেজায় চটেছেন দিলীপ ও তাঁর অনুগামীরা। যদিও প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি তাঁরা।
গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এদিন রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তরুণ চুঘ। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং এবং সায়ন্তন বসু। বৈঠকে থাকার কথা থাকলেও হাজির হননি বাকি তিন সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, লকেট চট্টোপাধ্যায়, রথীন বসু।
এই বৈঠকেই নিজেদের এলাকার পরিস্থিতি জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব হন শুভেন্দু, অর্জুন ও সৌমিত্র। বৈঠকে একেবারে ঝাঁঝালো কথা বলেছেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর দাবি, নোয়াপাড়া ও জগদ্দলের প্রার্থী পছন্দ ছিল না তাঁর। সেই জন্যই এই করুণ হাল। পাশাপাশি অর্জুন রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘আক্রান্ত কর্মীরা ফোন করলে অনেক পরাজিত প্রার্থী কথাও বলছেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দরকার। রাজ্য নেতাদের কারও কিছু করার ক্ষমতা নেই।’
সূত্রের খবর, শুভেন্দুও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপের কথা বলেছেন। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্রও প্রার্থী বাছাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে তৃণমূল থেকে আসা তিন নেতার এমন ‘বিপ্লবী’ ভূমিকায় চটেছেন বিজেপির রাজ্য নেতারা।




