খবর লাইভ : ২০২২ সালেই কাতারে আয়োজিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। তাই স্টেডিয়াম সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ সম্পন্ন করতে গিয়ে মৃত্যু হল প্রায় সাত হাজার শ্রমিকের। যার মধ্যে একটা বড় অংশই ভারতীয়। এছাড়া পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বহু শ্রমিক রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই জোর চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। যদিও এই ঘটনাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবি জানিয়েছে কাতার সরকার। কিন্তু এতজন শ্রমিকের কীভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতারে বিশ্বকাপের জন্য কাজ করতে গিয়ে ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে গড়ে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার ১২ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আর গত ১০ বছরে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মোট মৃত্যু হয়েছে ৬,৭৫০ জন শ্রমিকের। এর মধ্যে শুধু ভারতেরই ২,৭১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশি শ্রমিক মারা গিয়েছেন ১,০১৮ জন। এছাড়া নেপালের ১,৬১৪, পাকিস্তানের ৮২৪ এবং শ্রীলঙ্কার ৫৫৭ জন শ্রমিক মারা গিয়েছেন। যদিও সবারই যে বিশ্বকাপের জন্য কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তা এই প্রতিবেদনে এটা বলা হয়নি। কিন্তু কাতারের একটি শ্রম অধিকার সংগঠনের দাবি, কাতার বিশ্বকাপের দায়িত্ব পাওয়ার কারণেই এতজনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে এতজনের মৃত্যু হল, তা স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, আগামী বছর কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে। প্রায় ১০ বছর আগে ২০১০ সালে অই বিশ্বকাপের স্বত্ত্ব পেয়েছিল কাতার। এরপর থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতির মধ্যেই ঘটে গিয়েছে বিপর্যয়!


