খবর লাইভ : বিশেষ সমীক্ষায় আধার, রেশন ও ভোটার কার্ড অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ। বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায় নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। আধার, ভোটার এবং রেশন কার্ডও বিবেচনা করতে হবে কমিশনকে, নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ জুলাই।
বিহারের ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার সেগুলি একত্র করে শুনানি শুরু হয় বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে মামলাকারীদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, ভোটাধিকার থেকে কোনও এক জন ব্যক্তিকেও বঞ্চিত করা যায় কি না। কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কমিশন অবশ্য নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, কাউকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে না তারা। আইন মেনেই যাবতীয় কাজ করা হচ্ছে।
শুনানির শুরুতেই মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, ১৯৫০ সালের আইন এবং ভোটার অন্তর্ভুক্ত আইনের অধীনে ভোটার তালিকায় দুই ধরনের সংশোধনের কথা বলা রয়েছে। এক, নিবিড় সমীক্ষা। দুই, সংক্ষিপ্ত সমীক্ষা। তিনি বলেন, “ইনটেনসিভ রিভিশন বা নিবিড় সংশোধন একটি ‘ডি নোভো’ (নতুন করে) অনুশীলন। বিহারের ৭.৯ কোটি মানুষকে এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন আইন বা নিয়মে কোথাও উল্লেখ নেই। এটি ভারতের ইতিহাসে প্রথম বার করা হচ্ছে।”
মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, ৩০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার কথা বলা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, শুধুমাত্র ১১টি নথি গ্রহণ করা হবে। বলা হয়েছে, ভোটার আইডি নেওয়া হতে না। বাবা-মায়ের নথিপত্র চাওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর অভিযোগ, ২০০৩ সালের আগের ভোটার নথি নেওয়া হচ্ছে। ২০০৩ সালের পরে পাঁচটি লোকসভা ভোট হয়েছে। সেখানে যাঁরা ভোট দিয়েছেন, এখন তাঁদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তার পরেই বিচারপতি ধুলিয়ার প্রশ্ন, এই প্রক্রিয়া কি কমিশন নিজের ইচ্ছায় করতে পারে? মামলাকারীদের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতির প্রশ্ন, “কমিশনের ক্ষমতাকে কি আপনারা চ্যালেঞ্জ করছেন?” মামলাকারীদের আইনজীবী বলেন, “না। আমরা কমিশনের কাজকে চ্যালেঞ্জ করছি।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “কমিশন নিজের ইচ্ছা মতো এটা করছে। নিয়মে কোথাও বলা নেই।”




