খবর লাইভ : গতকালই জানা গিয়েছিল চলতি মাসেই ফের বঙ্গ সফরে আসবেন মোদি। যখন তৃণমূলের শহিদ দিবস নিয়ে প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে থাকবে, সেই সময়ই বাংলায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ জুলাই দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠে সভা করবেন তিনি। সেই সভার প্রস্তুতিতে যাতে কোনও খুঁত না থাকে, সেই কথা মাথায় রেখেই আগাম সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রাজ্য বিজেপি। একদিকে ওই সময়ই রয়েছে শাসক দলের ২১শে জুলাইয়ের সভা । আর তার আগেই বঙ্গের রাজনৈতিক পারদ কয়েক ধাপ চড়িয়ে দিতেই আসছেন প্রধানমন্ত্রী, দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।
প্রথম দিকে একটি সভার কথা শোনা গেলেও পরে রবিবার জানা গিয়েছে, দুটি সভা করতে চলেছেন তিনি। একটা হবে দমদমে। অন্যটা দুর্গাপুরে। মে মাসের পর এটি মোদির দ্বিতীয় সভা হলেও, এখনও পর্যন্ত এই বছর বাংলায় কোনও জোড়া সভা করেননি তিনি। করেছিলেন গতবছরে। দমদমের পাশাপাশি দুর্গাপুরের সভাতেও সিলমোহর পড়লে, একুশে জুলাইয়ে তৃণমূলের শহিদ সভার আগে এটা একটা তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হবে বিজেপির ক্ষেত্রে।
২০২৬এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। দুর্গাপুজোর পরেই হয়তো ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইস্তেহার সাজাবে রাজ্যের শাসক-বিরোধী শিবির। কিন্তু শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েই কি ভোটের স্রোতে তরী ভাসানো সম্ভব? চাই বুথে জোর। যা তৃণমূলের রয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। কিন্তু বিজেপি? তাদের বুথের কী হাল? রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের ৫০ শতাংশ বিজেপির বুথ কমিটি একেবারে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এই পরিসংখ্যান খোদ স্বীকার করে নিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশলও।
এই নড়বড়ে দশাতেই রাজ্য সংগঠনের ব্যাটন ধরেছেন শমীক ভট্টাচার্য। ব্যাটও চালাতে শুরু করে দিয়েছেন। শমীকের সাফ কথা, বিজেপি সংখ্যালঘু বিরোধী নয়। অর্থাৎ এবার ‘বহুত্ববাদী’ হিন্দু ও সংখ্যালঘু উভয় ভোটকেই নিজেদের ঝুলিতে টানতে চায় তারা। চাঙ্গা করতে চায় সংগঠনকে। আর সেই আবহেই পালে বাড়তি হাওয়া দিতে বাংলায় আসছেন মোদি। এখন দেখার, আদৌ প্রধানমন্ত্রী ভোকাল টনিক দিয়ে কর্মী সমর্থকদের চাঙ্গা করার পাশাপাশি, নিজেদের পালে কতটা বাড়তি হওয়া টানতে পারেন।




