খবর লাইভ : ঢেলে সাজানো হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। ইতিমধ্যে বাসভবনের সৌন্দর্যায়নে খরচ করা হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা। সম্প্রতি এমনই দাবি তুলে সরব বিজেপি। আর তারপরই নৈতিক কারণে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়া উচিত বলে দাবি জানাচ্ছে গেরুয়া শিবির। তবে বিজেপির এমন অভিযোগে হাত গুটিয়ে বসে নেই দিল্লির শাসক দল আম আদমি পার্টিও। আপের তরফে পাল্টা গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ করে উল্লেখ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনও সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রোজেক্টের।
তবে সম্প্রতি এক মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাংলো সংস্কারে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ৮ লাখ টাকার পর্দা বসানো হয়েছে এবং মার্বেল বসাতে খরচ হয়েছে দেড় কোটিরও বেশি টাকা। বাড়িতে যে কার্পেট বিছানো হয়েছে তার দাম লাখ টাকা; আপাতত এই নিয়ে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে বড়সড় আক্রমণ করেছে দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব। তিনি জানিয়েছেন, কেজরিওয়ালের ‘সম্পূর্ণ সততা’ প্রকাশ পেয়েছে। তবে কোভিড মহামারীর সময়ে ঘর সাজাতে কেন এত বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলে সরব বিজেপি। পাশাপাশি এমন অভিযোগে কেজরিওয়ালের পদত্যাগও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।
তবে বিজেপির এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা জানান, বিজেপির এটা সরকারি বাড়ি, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সম্পত্তি নয়। চাড্ডা বলেছিলেন যে আপনি যদি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বাসভবনের সাথে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের খরচ তুলনা না করেন তবে আপনি কীভাবে বুঝবেন এটি কম না বেশি। এরপরই তাঁর অভিযোগ, চাড্ডা আরও বলেন, কেজরিওয়াল যে বাড়িটিতে থাকেন তা ১৯৪২ সালে তৈরি হয়েছিল। ঘরের ভিতর থেকে বেডরুম পর্যন্ত ছাদ থেকে জল পড়ত। পিডব্লিউডি অডিট করেই তা মেরামতের সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি মনে করিয়ে দেন, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজের বাসভবন রং করতেই ২০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও বাসভবন তৈরি হচ্ছে, যার জন্য আনুমানিক খরচ ৫০০ কোটি টাকা।



