খবর লাইভ : বছর চারেকের আদা ইয়াসির। জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দা। ৩ জুন ওমপোরা হাউসিং কলোনিতে খেলা করছিল সে। বেশ খানিকক্ষণ বাদে বাচ্চাটির কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তার বাবা-মা। দেখেন মেয়ে নেই। ঘন্টাখানেক খোঁজ করার পর জঙ্গলের মুখে উদ্ধার হয় শিশুটির গলার হার ও চটি। সন্দেহ হয় মানুষখেকো চিতার খপ্পরে পড়েছে শিশুটি। রাতভর খোঁজাখুঁজির পর পরদিন ভোরে আদার ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া যায় জঙ্গলের ভেতরে নার্সারির কাছে। এরপর থেকে শুরু হয় ওই চিতার খোঁজ। অবশেষে সাফল্য। ধরা পরল মানুষখেকো চিতাবাঘিনি।
এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে বন দফতরের এর বিরুদ্ধে। নার্সারির আশেপাশের গাছ কেটে জঙ্গল পরিষ্কার রাখা হবে না কেন, বারবার জঙ্গলের জানোয়াররা বেরিয়ে এসে হামলা চালালেও কর্তৃপক্ষ কেন চুপ? উঠেছে সেই প্রশ্ন। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের এক মুখপাত্র সেই সময় জানিয়েছিলেন, দুদিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাঘিনিকে ধরতে তৈরি হয় শ’খানেক আধিকারিকের দল। তারপরই খাঁচাবন্দি করা হয় চিতাটিকে। প্রোটোকল মেনে চিতাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন পশু চিকিৎসক। তবে কাশ্মীরের চিফ ওয়াইল্ডলাইফ ওয়ার্ডেন রশিদ নাকাশ, চিতাটিকে মানুষখেকো বলতে নারাজ। তিনি জানান এরা ছেলে ধরা। শিশুদের শিকার করার সহজ বলেই এরা শিশুদেরকেই টার্গেট করে।




