খবর লাইভ : গোটা দেশেই এখন ভ্যাকসিনের আকাল। তার মাঝেই কেন্দ্রের পাঠানো ভ্যাকসিন একাধিক রাজ্য নষ্ট করছে। বেশ কিছু রাজ্য থেকে সেই রিপোর্ট পেয়েছে কেন্দ্র। আর এই বিষয়ে প্রত্যেক রাজ্যে আজ কড়া কেন্দ্রের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন আগামী ২১ জুন থেকে ১৮ উর্দ্ধদের ভ্যাকসিনের দায়িত্ব কেন্দ্রের। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন কিনে পাঠাবে কেন্দ্র। আর তারপরেই আজ কেন্দ্র নির্দিষ্ট একটি গাইডলাইন পাঠিয়েছে।
এদিন কেন্দ্রের পাঠানো গাইডলাইনে বলা হয়েছে, কোন রাজ্যে কত ডোজ ভ্যাকসিন পাঠানো হবে, তা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জনসংখ্যা, সংক্রমণ ও টিকাকরণ প্রক্রিয়ার হার দিয়ে নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ কেউ ভ্যাকসিন চাই বলে দাবি করলেই হবে না, কেন্দ্রের হাতে থাকা পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই আসবে ভ্যাকসিন। নতুন নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়ার ঘটনাবলীকে কেন্দ্র করে। গাইডলাইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন নষ্ট করলে সরাসরি তার প্রভাব পড়বে পরবর্তী বরাদ্দে। অর্থাৎ ভ্যাকসিন পাঠানো হবে কিনা বা পাঠালে কতটা পাঠানো হবে সেটা নিয়েই ভাববে কেন্দ্র।
রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে পাঠানো ভ্যাকসিন নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ রয়েছে কেন্দ্র। বারবার তারা রিপোর্টে দেখেছে অনেক রাজ্য দেরি করছে ভ্যাকসিন দিতে, নষ্ট করছে। শ্লথ গতিতে চলছে ভ্যাকসিনের কাজ। ঝাড়খণ্ড, ছত্তিসগড়, তামিলনাড়ু, জম্মু ও কাশ্মীর, মধ্যপ্রদেশে সবচেয়ে কম হচ্ছে ভ্যাকসিন প্রদানের কাজ। এই পদ্ধতিতে চলা যাবে না আগেই বলেছে কেন্দ্র। বিশেষ করে ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়ে ভ্যাকসিন নষ্ট করার প্রবণতা বেশি। সুপ্রিম কোর্ট ও রাজ্যগুলির জোড়া আক্রমণের ফলেই একপ্রকার বাধ্য হয়েই ভ্যাকসিন নীতিতে বদল আনে কেন্দ্র। গতকাল ১৮-উর্দ্ধদেরও বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী।




