খবর লাইভ : মঙ্গলবার কলকাতায় বিজেপির সভাতেই ‘ভাইপো’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কবে নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন শাহ। তিনি প্রশ্নের জবাবও দেন। সভাঘরে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিয়ে অনেক হাততালিও পান শাহ। আর শাহি-বক্তৃতার মাঝেই বারংবার ‘মমতা চোর’ বলে স্লোগান তুললেন মঞ্চে বসে থাকা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত, ‘ভাইপো’ বলতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বিজেপি ইঙ্গিত করে থাকে। শুভেন্দু যখন একনাগাড়ে ‘ভাইপো’ বলে আক্রমণ করতে শুরু করেন, তখনই অভিষেক নিজে এক বার বলেছিলেন যে, ওঁরা আমার নাম নিতে ভয় পায়। তাই ভাইপো বলে।
আরও পড়ুনঃ কলকাতায় বাড়ছে কোভিড! আরও ৪ জনের দেহে মিলল সংক্রমণ
বৈঠকে শাহ তাঁর বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতাদের নাম বলতে থাকেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকদের নাম বলার পরেই কর্মীদের দিক থেকে ‘ভাইপোর কী হবে’ প্রশ্ন ছুটে আসে শাহের দিকে। এর পরেই শাহ হাসতে হাসতে বলেন, আমি যাঁরা গ্রেফতার হয়ে গিয়েছেন তাঁদের নাম বললাম। যাঁরা গ্রেফতার হবেন তাঁদের নাম তো বলিনি। এর পরেই তুমুল হাততালিতে ফেটে পড়ে জাতীয় গ্রন্থাগারের সভাগৃহ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা দলের হয়ে প্রচার করেন মঙ্গলবার তাঁদের ‘সাইবার যোদ্ধা’ বলে সম্বোধন করেন শাহ। তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছে। দিদি যাই করুন না কেন, বাংলায় বিজেপির জয় নিশ্চিত। আগে তিনি রাজ্য নেতাদের ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার বলেন, বাংলায় এ বার ৩৫-এর বেশি আসনে জয় পাবে বিজেপি।
শাহ দাবি করেন, বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী শহিদ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গেই। বাংলা থেকে ৩৫ আসনের বেশি দিলে ‘মোদীজি সোনার বাংলা’ গড়ে দেবেন বলেও জানান শাহ। লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বাংলাতেও বিজেপির জয় নিশ্চিত।




