State

বাঁধ মেরামতির পরও প্রতি বছর ভাঙছে, কেন? ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব মুখ্যমন্ত্রীর

0
(0)

খবর লাইভ : কোনওরকমে বাঁধ করে দেওয়া হয়েছে। নিমেষেই ভেঙে গেল। লক্ষ লক্ষ টাকা জলে গেল। বুধবার নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলনে আবারও একই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এদিন তাঁর উল্লেখযোগ্য সংযোজন, আমফানের সময় ভেঙে পড়া গাছ কোথায় গেল? সেগুলি তো নদী বাঁধে দেওয়ার কথা ছিল। তাহলে কি কোনও দুর্নীতি হয়েছে? এ নিয়ে তিন দিনের মধ্যে মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। চলতি মাসেই দু-দু’টি ভরা কোটাল রয়েছে। তার আগেই যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতার।

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটা জিনিস দেখছি, আমরা প্রতিবছরই বাঁধ সারাচ্ছি, আর প্রতিবছরই তা ভেঙে যাচ্ছে। প্রতিবারই যদি লক্ষ-কোটি টাকা জলে চলে যায়, তাহলে জলকে আটকাবো কীভাবে? যেখানে টাকা কাজে লাগবে সেখানেই কাজ করা হোক। যেখানে বাঁধ ভেঙে যাবে, সেখানে অন্য উপায় নেওয়া যাবে। যেমন আমরা সুন্দরবনে ৫ কোটি ম্যানগ্রোভ বসিয়েছি।’ এর পরেই মমতা প্রশ্ন করেন, গতবার আমফানের সময় প্রচুর গাছ কাটা হয়েছিল, সেগুলি কোথায় গেল? তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম ওই গাছগুলো অনেক জায়গায় বাঁধের কাজে ব্যবহার করতে। কিন্তু সেই গাছগুলো গেল কোথায়? সেই গাছগুলি কখনও বন দফতর নিয়ে যায়, কখনও পুরসভা নিয়ে যায়, কখনও আবার সেচ দফতর নিয়ে যায়। কোনও হিসেব থাকে না।’

পুরসভা থেকে বন দফতর, পিডব্লিউডি থেকে সেচ দফতর প্রতিটি দফতরকে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যসচিবের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলুন। তারপরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’ আশঙ্কার কথা বলতে গিয়ে এদিন মমতা বলেন, ‘এমাসেও কিন্তু বিপদ রয়েছে। দু’টি ভরা কোটাল রয়েছে। ১১ তারিখ তাও অত বড় হবে না। কিন্তু বৃষ্টির উপর যদি বান হয়, তাহলে প্রভাব পড়ে দ্বিগুণ। সে দিক থেকে দেখতে গেলে ২৬ তারিখ কিন্তু বড় বান আসতে চলেছে। তার আগেই কিন্তু যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *