খবর লাইভ : রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ক্রমশই ভেঙে পড়ছে। খাতায়-কলমে রয়ে গিয়েছে সুশাসন। উল্টে ডিউটিরত অবস্থায় অধিকাংশ পুলিশ কর্মী ও আধিকারিক মজে মোবাইল ফোনে। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় ডিউটিরত অবস্থায় কোনও পুলিশ আধিকারিক ও কর্মী নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য মোবাইল ফোন কিংবা ইলেকট্রনিকস গ্যাজেটস ব্যবহার করতে পারবেন না বলে নির্দেশ জারি করলেন বিহার পুলিশের ডিজি এস কে সিঙ্ঘল। অধস্তন পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘নির্দেশ অমান্য করে মোবাইল ব্যবহার করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে বিহারের ডিজির এমন নির্দেশ নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। একাধিক পুলিশ আধিকারিক ক্ষুব্ধ কণ্ঠে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করলে কিভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংয়োগ রক্ষা করা যাবে? তাছাড়া কোনও অপরাধ কিংবা দুর্ঘটনা ঘটলে তা কিভাবে জানা যাবে কিংবা টহলরত পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকদের কাছে তা জানানো যাবে?’ যদিও বিহার পুলিশের ডিজি’র কার্যালয়ের এক আধিকারিকের বক্তব্য, ‘প্রতিটি থানায় বিশেষ কন্ট্রোল রুম রয়েছে। ডিউটিরত কর্মীদের কাছে ওয়াকিটকিও থাকছে। ফলে মোবাইল ব্যবহার না করা গেলে দুর্ঘটনা কিংবা অপরাধের ঘটনা জানা যাবে না, এটা ছেঁদো যুক্তি।’
বিহার পুলিশের ডিজির পক্ষ থেকে অধস্তন পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকদের মোবাইল ব্যবহারে বিধিনিষেধ যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ‘ডিউটির সময়ে অনেক পুলিশ কর্মী ও আধিকারিক কর্তব্য ভুলে মোবাইল ফোনে মনোরঞ্জনে মগ্ন থাকছেন। এমন ছবি সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করছে। তাছাড়া মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস গ্যাজেটস নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ঠিকভাবে ডিউটি পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।’




