খবর লাইভ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে মহামারী আইন প্রয়োগ করা উচিত। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় গিয়ে এমনটাই দাবি করলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা মহামারীর সময় এক আইএএস অফিসারকে হেনস্তা করার অভিযোগ তুললেন তিনি। মূলত আলাপন বন্দোপাধ্যায় প্রসঙ্গেই অভিষেকের এই মন্তব্য।
যশে বিপর্যস্ত পাথরপ্রতিমার নদীবাঁধ ও দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি চাক্ষুষ করতে এদিন যান যুব তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক। এদিন দুপুর ১টা নাগাদ দক্ষিণ মহেন্দ্রপুর শিবপ্রসাদ ভগবতচন্দ্র হাইস্কুলের মাঠে তাঁর হেলিকপ্টার নামে। সেখান থেকে প্রথমে তিনি দুর্গাচকের ত্রাণ শিবিরে যান। দুর্গত মানুষদের সঙ্গে মিশে গিয়ে কথা বলেন তিনি। অভিষেক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেই ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ২০ হাজার টাকা করে অর্থ সাহায্য করা হচ্ছে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থদের। শুধু তাই নয়, গবাদিপশু, পানের বরোজের ক্ষতিতেও অর্থ মিলছে। মৎস্যজীবীরাও ক্ষতিপূরণ পাবেন। আপনারা একদম চিন্তা করবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের পাশে আছেন এবং থাকবেন।’
দুর্গাচকের ত্রাণ শিবির থেকে তৃণমূল সাংসদ যান রামগঙ্গা ঘাটে। সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা, পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর জানাকে সঙ্গে নিয়ে লঞ্চে করে যান গোপালনগর এলাকায়। যাওয়ার পথে লঞ্চে বসেই যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেন তিনি। গোপালনগর থেকে ফিরে এসে রামগঙ্গা ঘাট এলাকায় একটি বেসরকারি হোটেলে যান তিনি। সেখানে তৃণমূলের উদ্যোগে একটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। তিনি জানান, বাংলার মানুষ বাংলার সঙ্গে আছেন। তাই যে কোনও বিপর্যয় সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করে এই রাজ্য।




