খবর লাইভ : রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের সঙ্ঘাত। শুক্রবার রাত থেকেই তা কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছিল। ঘটনার ৭২ ঘন্টার মধ্যেই সেই কানাঘুষো সত্যিতে পরিণত হলো। তাই নরেন্দ্র মোদির অধীনস্ত কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ বিভাগ (ডিওপিটি) আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যুদ্ধে ইতি টানার পরেই আসরে আবির্ভূত হল ‘শাহি মন্ত্রক’।
সোমবার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর কলাইকুণ্ডার তথাকথিত পর্যালোচনা বৈঠকে কেন যোগ দেননি, তা জানতে চেয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ‘বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের (২০০৫) ৫১ ধারা অনুযায়ী ওই আইন লঙ্ঘন করার জন্য কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না’, তা তিন দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বিপর্যয় মোকাবিলা আইন ভঙ্গের জন্য দু’বছর পর্যন্ত কারাবাস হতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রাক্তন আধিকারিকদের মতে, বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ‘অছিলায়’ কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়ে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’বছরের জন্য জেলে পোরার পরোক্ষ হুমকি দিয়ে রাখা হলো।
কারণ দর্শানোর চিঠিতে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেয়ে পদমর্যাদায় কয়েক ধাপ নিচে থাকা আশিস সিং নামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের এক আন্ডার সেক্রেটারি যে কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠিয়েছেন তাতে লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের প্রধান। তাঁর বৈঠকে উপস্থিত না থেকে আপনি (আলাপন) যা করেছেন, তা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ৫১(বি) ধারা ভঙ্গের শামিল।’ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে এফআইআর দায়ের করা হবে বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে।




