খবর লাইভ : কোভিডকে শায়েস্তা করতে পারে ভ্যাকসিন। এর সঙ্গে অবশ্য রয়েছে সচেতনতা, মাস্ক ও স্যানিটাইজারের উপযুক্ত ব্যবহার। অন্তত এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু এবার কোভিডের বিরুদ্ধে লড়তে মাঠে নেমেছে তুলতুলে রসগোল্লা। স্বর্গীয় সাধের এই রসগোল্লার পক্ষে এমনই দাবি করছে, মিষ্টি ব্যবসায়ীদের সর্বভারতীয় সংগঠন ফেডারেশন অফ সুইটস এন্ড নমকিন ম্যানুফ্যাকচার্স।
এখন প্রশ্ন হল, তাবড় বিজ্ঞানীরা যেখানে এখনও হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কোভিডকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার পথ, সেখানে মিষ্টিতেই বাজিমাত করার তত্ত্ব কতটা কার্যকরী? কিসের ভিত্তিতে বা ওই সংগঠন একথা দাবি করছে? বলে রাখা ভালো শুধু মিষ্টি ব্যবসায়ীরাই নয়, নতুন এই তত্ত্বে সায় আছে চিকিৎসকদেরও। কারণ এই দাবি ইতিমধ্যেই পরীক্ষিত ও সফল সারাদেশে। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হাতিয়ার হতে পারে বাংলার তৈরি বিশুদ্ধ ছানার রসগোল্লা। কারণ ছানার তৈরি এই রসগোল্লাতে প্রোটিনের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। চিনি ছাড়া কিছুই থাকে না এই মিষ্টিতে। তাই সহজপাচ্যও বটে। বাজারে বিক্রি হওয়া পাঁচ থেকে দশ টাকা দামের একটি রসগোল্লায় যে প্রোটিন থাকে, তা প্রায় দুটি রুটির সমান। এই প্রোটিনই মানুষকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করবার শক্তি যোগাবে।
শুধু করোনা নয়। ডায়রিয়া, জ্বর কিংবা মুখে অরুচি ইত্যাদি ক্ষেত্রেও রসগোল্লা সঞ্জীবনীর কাজ করে। কোভিড আক্রান্তদের খাবারে অনেক বেসরকারি হাসপাতাল যাদের সুগার নেই এমন রোগীদের প্রতিদিন ৬ থেকে ১২ টি রসগোল্লা খাওয়ায়। এতে দেখা গেছে কোভিড আক্রান্ত রোগী দ্রুত সেরে উঠেছেন। এছাড়া রসগোল্লা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকায় শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি ছানায় থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে ব্যাপকভাবে।



