খবর লাইভ : রাজ্যে দুর্যোগের অশনি সংকেত। এই পরিস্থিতিতে নিছক বিরোধিতার পথে হাঁটতে চাইছে না বঙ্গ বিজেপি। বরং তারা দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে রাজ্যবাসীর সামনে। এমনই বিজেপি সূত্রে খবর।
রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায়, ‘আমফানের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাই এবার তারা যথেষ্ট তৎপর। ঝড় সম্পর্কে উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে সচেতন করার কাজ জোরকদমে চালানো হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কী হল সেটা ঝড়ের পরেই বোঝা যাবে। এখনও পর্যন্ত সব ঠিক আছে বলেই মনে করা হচ্ছে।’ কিন্তু সমালোচনার পথে না হেঁটে হঠাৎ রাজ্য সভাপতির মুখ থেকে এই ধরনের ইতিবাচক বক্তব্য? গতবছর অবশ্য আমফানের সময় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত ছিল বিজেপি। এবছর সেই পথে হাঁটছে না গেরুয়া শিবির। রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতার কথায়, সব কিছুতেই বিরোধিতা করলে বিরোধী দলের মর্যাদা হারাতে হয়। বরং ভালোকে ভালো হিসেবে দেখালে মানুষ সেটা ভালোভাবে নেবে। ঝড়ের পরে যদি সরকারের কোনও খামতি থাকে, সে ক্ষেত্রে সমালোচনার পথ তো থাকছেই।
ঘূর্ণিঝড়ের পর কীভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়, তা নিয়ে সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। মঙ্গলবার বিভিন্ন জেলার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ। তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা তৈরি আছেন। আপাতত উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া সবচেয়ে বেশি জরুরি। সেটা আমাদের কর্মীরা করছেন।’ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঝড় বৃষ্টির মধ্যে নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বলে নিজেই টুইটারে দাবি করেছেন।



