State

যশের ত্রাসে অকাল প্লাবনের আশঙ্কা রাজ্যে

0
(0)

খবর লাইভ : দুশ্চিন্তা কমলেও, পুরোপুরি কাটল না। বাংলাকে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে যশ বাঁক নিয়েছে ওড়িশার দিকে। সকালে বালেশ্বর ও ধামড়া বন্দরের মধ্যে আঘাত হানার কথা। আর তাতে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পশ্চিমবঙ্গের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেইসঙ্গে আজ সকালে বুদ্ধ পূর্ণিমার ভরা কোটাল ও পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই তিনের প্রভাবে দুশ্চিন্তার কারণ বাংলা জুড়ে। আশঙ্কা করা হচ্ছে অকাল প্লাবনের।

মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে সরে পুরোপুরি বালেশ্বরে নয় তার আরও কিছুটা দক্ষিণে বালেশ্বর ও ধামড়ার মাঝামাঝি উপকূলে আছড়ে পড়বে। বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর ও উত্তর পশ্চিমে এগিয়ে চলা ঘূর্ণিঝড় আজ বিকেলে তাণ্ডব চালাবে পারাদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপের মাঝ বরাবর বালেশ্বরে। আর এসবের মধ্যে অকাল প্লাবনের আশঙ্কা ভাবাচ্ছে রাজ্য সরকারকে। সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন ইতিমধ্যেই রাজ্যকে দক্ষিণবঙ্গের ৯টি জেলায় অতিবর্ষণে বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। ময়ূরাক্ষী, কংসাবতী, সুবর্ণরেখা, দামোদর, অজয়ের জল বাড়ছে পারে। যদিও রাজ্য সরকারকে ডিভিসির তরফে জানানো হয়েছে, জলস্তর বাড়লেই একমাত্র বাধ্য হয়ে আগাম জানিয়ে জল ছাড়া হবে। এখনই জল ছাড়ার পরিকল্পনা নেই।

ডিভিসি জানিয়েছে, মাইথন ও পাঞ্চেত দুই জলাধারে জল থাকায় যশের প্রভাব পড়বে না। তাদের বক্তব্য এক টানা দুই থেকে তিন দিন যদি ১৫০-২০০ মিমি করে বৃষ্টি হয় তখন জল ছাড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। এর ফলে বর্ধমান, হাওড়া, হুগলিতে বন্যার আশঙ্কা বাড়তে পারে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *