খবর লাইভ : নারদকাণ্ডে ধৃত কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এসএসকেএম থেকে গেলেন প্রেসিডেন্সি জেলে। চিকিৎসকরা তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। এরপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েই ফিরলেন বাড়ি।
দুপুরেই বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছিলেন, জোর করে এসএসকেএম-এ আটকে রাখা হয়েছে শোভনকে। আর রাতেই হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন ‘অবহেলিত’ বিজেপি নেতা। সূত্রের খবর, পার্সোনাল রিস্ক বন্ডে সই করেই হাসপাতাল থেকে ‘নিস্তার’ মিলেছে তাঁর। শনিবার বিকেল থেকেই তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত রাত পৌণে ন’টা নাগাদ যাবতীয় কাগজপত্র স্বাক্ষর সেরে হাসপাতাল ছাড়লেন শোভন। হাসপাতাল থেকে সোজা পৌঁছলেন প্রেসিডেন্সি জেলে। আদালতের নির্দেশ মতো, কলকাতার প্রাক্তন মেয়র যে ঠিকানা দেবেন তাঁকে সেই বাড়িতেই রেখে আসার কথা। সূত্রের খবর, তিনি গোলপার্কের বাড়িতে যেতে চেয়েছিলেন। ফলে তাঁকে গোলপার্কের বাড়িতেই দিয়ে আসেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় সিবিআই হেফাজতে থাকবেন।
সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসকেরা প্রাক্তন মেয়রের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। রাতে খাবার দেওয়া হলেও, তিনি তা দাঁতে কাটেননি। এরপর বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। কিন্তু সারাক্ষণ জুড়েই তিনি বাড়ি ফেরার তাগাদা দিতে থাকেন। দশটা বাজতে না বাজতেই জেল ছেড়ে বাড়ির পথে রওনা দিলেন তিনি।
নারদকাণ্ডে ধৃত ৪ হেভিওয়েটের মধ্যে একমাত্র বাড়ি ফিরেছেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান তথা পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমই। এবার বাড়ি ফিরলেন শোভনও। তবে এখনও সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্র এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখতে তৈরি হয়েছে মেডিকেল বোর্ড।



