খবর লাইভ : কিছুদিন আগেই একটি ছবি আঁকাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়া শ্যামপুর। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের কয়েকজন মানুষ একটি দুর্গা পুজোর প্যান্ডেলে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনাটি কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। অনেকেই ওই ঘটনার জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করতে থাকেন। পাশাপাশি ওই এলাকায় পুলিশের কিছু কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্থানীয় লোকজন।
শ্যামপুর থানার মধ্যেই পড়ে গাদিয়াড়া পর্যটন কেন্দ্র। তিন নদীর মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত এই জায়গাটি। ভাগীরথী, রূপনারায়ণ এবং দামোদর এই তিন নদীর মিলনস্থলের তীরে অবস্থিত শ্যামপুরের গাদিয়াড়া এখন পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় বললেই চলে। হাওড়া জেলার গাদিয়াড়ায় নদীর একপ্রান্তে অবস্থিত দক্ষিণ ২৪ পরগনার নূরপুর এবং অপরপ্রান্তে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালি। খুবই মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠা এই পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। তবে এখানে দিবারাত্রি রমরমিয়ে চলছে মধুচক্রের আসর। কমবেশি প্রায় সব হোটেল বা লজেই দেহ ব্যবসা চলছে। সাধারণ মানুষের একাংশও এই দাবি মেনে নিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। হোটেলগুলির মধ্যে সিসিটিভি বসানো থাকলেও ভিতরে ঘরগুলির মধ্যে মেয়েদের এনে দেহ ব্যবসার কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। খবর লাইভের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করতে গেলে দেখা যায় সেই অভিযোগ একেবারেই সত্য। ইতিমধ্যেই ওই এলাকার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন। কারণ ওই পর্যটন কেন্দ্রে দেহ ব্যবসার বাড়বাড়ন্তে পর্যটকদের আনাগোনা কমছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী যাঁরা রয়েছেন তাঁদের এর ফলে ব্যবসায় মার খেতে হচ্ছে। দেহ ব্যবসার ফলে ওই এলাকার জনজীবনে প্রভাব পড়ছে বলেও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ। এবিষয়ে পুলিশ বা প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া অবশ্য পাওয়া যায়নি। বিজেপির স্থানীয় এক নেতা বলেন, ‘এখানে রমরমিয়ে দেহ ব্যবসার কারবার চললেও পুলিশ প্রশাসন কোনোরকম ব্যবস্থা নেয় না। স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে আমরা শীঘ্রই বৃহত্তর আন্দোলন করব।’




