খবর লাইভ : তীব্র ভয়ঙ্কর হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘তাউটে’। লাক্ষাদ্বীপ ও আরব সাগরের মাঝে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে কেরল, কর্ণাটক ও গোয়ার উপকূলবর্তী এলাকায়। মঙ্গলবার হামলার সম্ভাবনা গুজরাতে। সঙ্গে ঘণ্টায় ১৪০-১৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।
পূর্বাভাস সত্যি করে রবিবার সকালে কর্ণাটকে আছড়ে পড়ে সাইক্লোন তাউটে। চারজনের মৃত্যুর পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ছারখার ৭০টির বেশি গ্রাম। পিনারাই বিজয়নের রাজ্য কেরালাতে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। একইভাবে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের দাপটে লন্ডভন্ড হাল হয়েছে গোয়ার। সেখানে তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন একাধিক এলাকায়। তাউটে আরও শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিচ্ছে। গত বছরের আম্ফানকেও যা হার মানাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার গুজরাতে হামলার সম্ভাবনা এই সাইক্লোনের। সঙ্গে ঘণ্টায় ১৪০-১৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। কোথাও কোথাও ১৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে মঙ্গল ও বুধবার রাজ্যে করোনা টিকাকরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
গুজরাতে মোতায়েন ছিল এনডিআরএফের ৫০টি দল। তা বাড়িয়ে শতাধিক করা হয়েছে। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, রবিবার রাতেই যেহেতু সাইক্লোন মহারাষ্ট্রের উপকূল ছাড়িয়ে উত্তরে যাচ্ছে, তাই এবারের মতো বিপদ কাটলো কর্ণাটকের। তবে ভয় থেকে যাচ্ছে মহারাষ্ট্রে। সোমবার কোঙ্কন, পশ্চিম মহারাষ্ট্রের পার্বত্য এলাকা, কোলাপুর, সাতারা অঞ্চলে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে।
কবে কাটবে এই বিপদ? মৌসম ভবনের পূর্বাভাস ১৮ মে বিকেলের পর থেকে পোরবন্দর ও নলিয়ার ওপর দিয়ে গুজরাট উপকূলে পেরিয়ে যেতে পারে তাউটে।




