খবর লাইভ : পরিষদীয় দলের পদাধিকারীদের বেছে নিতে আজ বৈঠকে বসছেন বিজেপি বিধায়করা। সকাল ১১টায় হেস্টিংসে দলের নির্বাচনী কার্যালয়ে ওই বৈঠক হবে। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব। ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সব বিধায়ককে বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে বিজেপির ৭৭ জন বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তারমধ্যে অধিকাংশই প্রথমবার বিধানসভায় পা রাখছেন। ফলে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে যিনি দায়িত্ব পাবেন তাঁর পক্ষে নতুন বিধায়কদের নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে চাপে রাখা খুব মুশকিল হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
ইতিমধ্যেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। শনিবার দিল্লিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ, ভারপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীর সঙ্গে পরিষদীয় দলের পদাধিকারী হিসেবে কাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠক করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ, অমিত শাহরা।
সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা নিয়ে পরিষদীয় দলের পদাধিকারী পদে বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবে মুকুল রায়, অশোক লাহিড়ি, জগন্নাথ সরকার, মনোজ টিগ্গা ও শুভেন্দু অধিকারীর নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। ঠিক তেমনই মুখ্যসচেতক হিসেবে মনোজ টিগ্গা, মিহির গোস্বামী ও আশিস বিশ্বাসের নাম নিয়েও চর্চা হয়েছে। সঙ্ঘ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অবশ্য শুভেন্দু অধিকারীর মুখকে বিরোধী দলনেতা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সঙ্ঘ-এর পছন্দের নিরিখে বেশ অনেকটাই ব্যাকফুটে অধিকারী পরিবারের মেজো ছেলে।
বিজেপির অধিকাংশ বিধায়কই মুকুলকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে চাইছেন। তবে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য নিজে ওই পদে বসতে খুব একটা আগ্রহী নন। শেষ মুহূর্তে কোন সিদ্ধান্ত নেয় গেরুয়া ব্রিগেড, এখন সেটাই দেখার।




