খবর লাইভ : ২১ এর মহারণে বিরাট সাফল্য তৃণমূলের। অন্যদিকে গোহারা বিজেপি। জয়ের নেপথ্যে কোন ফ্যাক্টর কাজ করল? রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুখ বদলও এই বিপুল জয়ের নেপথ্য কারণ হতে পারে।
রাজ্যে বিজেপির ‘আসল পরিবর্তন’ এর ডাককে রুখতে ৫৭ জন বিদায়ী বিধায়ককে প্রার্থী পদ থেকে বঞ্চিত করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র বদল করা হয়েছিল ১৯ জন মন্ত্রী-বিধায়কের। এমনকি তাঁদের মধ্যে ছিলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। ভবানীপুর বদলে নন্দীগ্রাম। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সেই তালিকা দেখে ২০০১ ও ২০০৬ সালের সিপিএমের প্রার্থী তালিকার তুলনা টেনেছিলেন। সিপিএমের তৎকালীন রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাসের সঙ্গে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত প্রার্থী তালিকার ধরনের মিল খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁরা। ভোটের ৬ মাস আগে জ্যোতি বসুর জায়গায় নিয়ে আসা হয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে।
অন্যদিকে টিকিট না পেয়ে তৃণমূলের বহু বিদায়ী বিধায়ক ও জোড়া ফুলের প্রার্থীপদের প্রত্যাশী গত মার্চ মাস থেকে প্রবল ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সেই তালিকায় ছিলেন সোনালী গুহ, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, জটু লাহিড়ী, দিপেন্দু বিশ্বাসের মত অনেক হেভিওয়েটই। ফল প্রকাশের পর দেখা গেল, মুখ বদলের অংকের হিসাব বহু ক্ষেত্রেই মিলে গেছে। এক্সিট পোলের যাবতীয় হিসাবকে নস্যাৎ করে ২০১৬ সালের আসন প্রাপ্তির সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে জোড়া ফুল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। তারমধ্যে প্রার্থীদের মুখ একটা ইস্যু। তৃণমূল রাজ্যে ১০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন। ফলে নানা স্তরে মানুষের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তৈরি হতে পারে। সেখানে কতগুলো আসনে শাসক দলের প্রার্থী বদল করে নতুন প্রার্থীদের মুখ আম জনতার কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হতেই পারে। যেমন ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে বিজেপি বয়সের কারণ দেখিয়ে অনেককেই টিকিট দেয়নি। তার ফল তারা পেয়েছিল।




