National

বামজোটেই আস্থা কেরলের মানুষের

0
(0)

খবর লাইভ : বুথ ফেরত সমীক্ষায় সকলেই আভাষ দিয়েছিল কেরলে এবার এলডিএফ বা বাম জোট এগিয়ে থাকবে কংগ্রেসের থেকে। যদিও ১৪০ আসনের এই রাজ্যে প্রতিবার বিধানসভার নির্বাচনে বিরোধীরাই ক্ষমতায় আসে। ২০২১ সালে কেরলের চার দশকের সেই পরম্পরায় পরিবর্তন দেখা গেল। বাম জোট সরকার এখানে ক্ষমতা ধরে রাখতে সফল হয়েছে।
গতবার ২০১৬ সালে ছিল ৯১ আসন আর এবার একশোর কাছে। কেরলের মানুষদের মনোভাবে পরিবর্তনের পিছনে রয়েছে অবশ্যই করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পিনারাই বিজয়ন সরকারের আন্তরিক ভূমিকা। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা কোভিড নিয়ন্ত্রনে আন্তর্জাতিক সম্মানও পেয়েছেন। ৬১০০০ বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। এছাড়া ভারতীয় জনতা পার্টি কেরলে প্রভাব বিস্তারের জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নেমে পড়ার ফলে কেরলবাসী কংগ্রেস অপেক্ষা বাম জোটকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বেশি শক্তিশালী মনে করছেন। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত ও দিল্লির নেতাদের ময়দানে নামিয়েও বিজেপি একটির বেশি আসনে জয়ী হতে পারেনি। অমিত শাহ পীযূষ গোয়েল, নির্মলা সীতারামন, স্মৃতি ইরানি ও যোগী আদিত্যনাথদের গরম গরম ভাষণে কোনও কাজ হল না। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুরেন্দারন দুই কেন্দ্রে দাঁড়ানো সত্ত্বেও নিজের চমৎকারি দেখাতে পারলেন না। বিজেপি নেতাদের দাবি ছিল এবার তাঁরা কমপক্ষে এক ডজন আসনে জয়ী হতে চলেছে। কিন্তু প্রায় সব কেন্দ্রেই তৃতীয় স্থানে থাকতে হয়েছে তাদের।
সারা দেশের মধ্যে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি এই রাজ্যটিতে। কেরলে গেরুয়া প্রভাব বিস্তারের জোরদার চেষ্টা করছে বিজেপি। নরেন্দ্র মোদি- অমিত শাহদের কৌশল ব্যর্থ করে দিয়েছে কেরলের মানুষ। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এলডিএফ-এর এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য কেরলের মানুষদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *