খবর লাইভ : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার আকাশে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে বাংলাদেশের সেনার একটি বিমান। সোমবার দুপুরে ঢাকায় স্কুলের উপরে ভেঙে পড়ে বায়ুসেনার বিমান। এখনও অবধি ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহত ৫০-এর বেশি মানুষ।
ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভিতরে এয়ার ফোর্সের এই এয়ারক্রাফ্টটি ভেঙে পড়ে। যখন দুর্ঘটনাটি ঘটে, ভিতরে ক্লাস চলছিল। স্কুল ভবনের একটি অংশ একেবারে গুঁড়িয়ে যায়। বোঝাই যাচ্ছে, দুর্ঘটনার ভয়াবহতা কতটা। এখনও অবধি যা খবর, ১৬ জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। বাকি ২ জন শিক্ষক।
জানা গিয়েছে , বাংলাদেশের ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস বা আইএসপিআর জানিয়েছে, বায়ুসেনার ‘এফ-৭ বিজেআই’ বিমানের প্রশিক্ষণ চলছিল। টেকঅফের পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুন ধরে যায় বিমানে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি সেখানে হাজির হয় দমকলের আটটি ইউনিট। যখন এই দুর্ঘটনা ঘটে, সেই সময়ে ভিতরে ক্লাস চলছিল। অনেকেই ভিতরে ছিলেন। উদ্ধারকারী দল পৌঁছে ভিতর থেকে একের পরে এক দগ্ধকে বের করে নিয়ে আসে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে।
স্কুলের মুখপাত্র শাহ বুলবুল জানান, স্কুলের গেটের সামনে আছড়ে পড়ে বিমানটি। এর পরেই দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ক্লাস চলছিল। বহু ছেলে মেয়েই ভিতরে ছিল। একে একে সকলকে বের করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
শেখ হাসিনা লিখেছেন, আমি এই মানবিক সঙ্কট দূর করার জন্য উদ্ধার কাজ পরিচালনা, সকলকে নিরাপদে স্থানান্তরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি এলাকাবাসীকে সার্বিক সহযোগিতার এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বিবৃতিতে ইউনূস লিখেছেন, ‘এই দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কর্মচারি-সহ অন্যদের যে ক্ষতি হয়েছে, অপূরণীয়। জাতির জন্য এটি একটি গভীর বেদনার ক্ষণ।’




