National Special News Special Reports

আমেদাবাদ  বিমান দুর্ঘটনায় সিনিয়র পাইলট সুমিত সবরওয়ালকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য 

0
(0)

খবর লাইভ : আমেদাবাদ থেকে লন্ডন গেটউইক যাওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট এআই‑১৭১ বিমানই দুর্ঘটনার শিকার হয় ১২ জুন, ২০২৫ তারিখে। ফ্লাইটে ছিল ২৪২ যাত্রী ও ১২ ক্রু। দুর্ঘটনায় নিহত হয় ২৬০ জন। এই দুর্ঘটনায় ১১ এ নম্বর আসনে থাকা ব্রিটিশ-ভারতীয় যাত্রীর ছাড়া আর কেউ বেঁচে না‌ই।

প্রথমে বলা হয়, দুর্ঘটনার মূল ইন্দ্রিয় হল ইঞ্জিনের fuel cutoff switch, যেগুলো টেক-অফের মাত্র কয়েক সেকেন্ড পরে ‘RUN’ অবস্থান থেকে ‘CUTOFF’ করা হয় । পরবর্তীতে এই সুইচগুলো আবার ‘RUN’ অবস্থায় ফিরানো হয়েছিল। তবে তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল, যার ফলে উভয় ইঞ্জিনই অচল হয়ে পড়ে এবং বিমান দ্রুত উচ্চতা হারিয়ে চিকিৎসকদের হোস্টেলে ধাক্কা খায় ।

প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা অপ্রীতিকর ঘটনা, কোনটি সত্য তা এখনও সুস্পষ্ট নয়। তবে ডিজাইন অনুযায়ী, এই সুইচগুলো সুরক্ষিত মেকানিজম সহ থাকে, এবং দুর্ঘটনার আগে FAA সফটওয়্যার সতর্কতা অবশ্যই বাস্তবায়িত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

প্রযুক্তিগত তদন্তে কোনও ত্রুটি পাওয়া যায়নি। বিমান, ফুয়েল, মেইনটেন্যান্স বা পাইলটের ক্লান্তি সবকিছু ভালো অবস্থায় ছিল। ব্ল্যাক বক্স থেকে রেকর্ড করা ভয়াবহ সংলাপে প্রশিক্ষিত এক পাইলট প্রশ্ন করেন, তুমি কেন fuel off করেছো? আর অন্য পাইলট বলেন, আমি করিনি। তবে বিভ্রান্তির ওই ঘটনা কে সত্য বলেছে তা এখনও নিশ্চিত নয় ।

জানা গিয়েছে, Captain Sumeet Sabharwal, ৫৬ বছর বয়সী, বয়িং ৭৮৭–এ ৮,৫৯৬ ঘন্টা এবং মোট ১৫,৬৩৮ ঘন্টা ফ্লাইটিং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পাইলট ছিলেন ফ্লাইট লাইসেন্স সহ । তিনি পেশাগতভাবে দক্ষ ছিলেন এবং তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বাভাবিক মেডিক্যাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ।

তবে তার আত্মীয়েরা জানিয়েছেন, তিনি সম্প্রতি মানসিকভাবে চাপে ছিলেন। দুর্ঘটনার আগে বছরের মধ্যেই মারা গিয়েছে তার মা এবং তিনি সময়ের আগে অবসর গ্রহণের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। এই কারণে, তদন্তকারীরা তার মানসিক স্বাস্থ্য এবং আগে গ্রহন করা পর্যাপ্ত মেডিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডগুলি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এয়ার ইন্ডিয়া এই প্রাথমিক রিপোর্টে পাইলটদের দোষারোপ করেছে । এই বিষয়টিকে পাইলটদের সংগঠন প্রত্যাখ্যান করেছে।

এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ক্যম্পবেল উইলসন বলেন, তদন্ত এখনও চলছে, এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়। DGCA–ও তাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব স্বাস্থ্যবিষয়ক চেক-আপগুলো চালিয়েছে এবং Boeing 787-fleet–এর fuel control switch–এর লকিং মেকানিজম রক্ষণাবেক্ষণ করেছে, তাতে কোনও ত্রুটি ধরা পড়েনি ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *