খবর লাইভ : এবার বুঝছে ইউজিসিও। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে র্যাগিং–মুক্ত করতে ২০০৯ সালে একটি বিস্তারিত আইন এনেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি। এ বার সেই আইনের বিধিতে নতুন বেশ কয়েকটি বিষয় জুড়ল তারা।
ইউজিসি সূত্রে খবর, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে তারা নির্দেশ দিয়েছে, এ বার পড়ুয়াদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতেও নজর রাখতে হবে। ইউজিসির এক শীর্ষ কর্তার কথায়, ‘হোয়াটসঅ্যাপে অনেক ধরনের গ্রুপ থাকে যেগুলো সিনিয়র পড়ুয়ারা বানায়। পরে তাতে জুনিয়রদের জুড়ে নানা নির্দেশ দিতে থাকে তারা। বিকৃত ছবি, ভিডিয়ো পোস্ট করে জুনিয়রদের হেনস্থা করা হয়। এখন থেকে এই সবই র্যাগিংয়ের আওতাভুক্ত হবে।’
সরাসরি হেনস্থা না-করলেও হস্টেল বা ক্যাম্পাসে অনেক সময়েই ‘মাতব্বর’ সিনিয়ররা ঠিক করে দেয়, জুনিয়ররা কী পোশাক পরবে, কী ভাবে চুল কাটবে বা কী খাবে। ইউজিসি জানাচ্ছে, এই ধরনের খবরদারিকেও এ বার র্যাগিং বলেই ধরা হবে। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশিত হবে বলে জানা গিয়েছে।
ইউজিসির নির্দেশিকা ঘিরে যেমন হেনস্থা বন্ধের আশা জাগছে, তেমনই বিভিন্ন কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্টি র্যাগিং স্কোয়াডের সদস্যরা কিছু প্রশ্নও তুলেছেন এই নিয়ে। তাঁরা জানতে চান, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নজরদারি চালানো হবে কী ভাবে?
কারণ মেসেজিং অ্যাপটি ‘এনক্রিপ্টেড’, অর্থাৎ অত্যন্ত গোপনীয়। সেটিতে কেউ কাউকে হেনস্থা করছে কি না, তা নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং স্ক্রিনশট ছাড়া বিচার করা যাবে না। কারণ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গোপনীয়তা মৌলিক অধিকার।




