খবর লাইভ : সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র-যুবদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যেই এবার হিংসা ছড়াল ঢাকায়। বৃহস্পতিবার পুলিশ এবং আধাসেনার সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে আরও তিন জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা শতাধিক। এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছে। অন্য দিকে, বাড্ডা এলাকায় ঝামেলার সময় পিটিয়ে খুন করা হয় এক পথচারীকে। এমনকী, বিক্ষোভকারীদের পাল্টা হামলায় কয়েক জন পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। এই নিয়ে গত তিন দিনে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে। মেরুল বাড্ডায় ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ’ চত্বরে মারমুখী বিক্ষোভকারীদের হামলা থেকে বাঁচতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘরে আশ্রয় নেন কয়েক জন পুলিশকর্মী। তাদের উদ্ধার করতে হেলিকপ্টার নামানো হয়েছে।
উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারী আহত হয়ে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তার দাবি, নীতিগতভাবে হাসিনা সরকার আন্দোলনকারীদের দাবিকে সমর্থন করছে। তিনি বলেন, আমরাও বর্তমান কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়ে নীতিগত ভাবে সহমত। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আমাকে এবং শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে বসব।




