খবর লাইভ : ‘একটা বিষয় পরিষ্কার, যে প্রশ্নফাঁসের মতো বিষয় ঘটেছে এবং পরীক্ষার শুদ্ধতাও নষ্ট হয়েছে’৷ নিট-ইউজি ২০২৪-এক অনিয়মের মামলায় ২৮টি আবেদনের শুনানি চালকালীন এমনই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়৷ সোমবার ফের পরীক্ষার দাবিতে করা ৩৮টি আবেদনের শুনানি চলছিল শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সহ, বিচারপতি জে বি পারিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রার তিন সদস্যের বেঞ্চে৷
সোমবার আবেদনকারীদের তরফে বলা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি নোটিশ দিয়ে এনটিএ বলেছিল ৫ মে পরীক্ষা এবং ১৪ জুন রেজাল্ট বেরোবে। ৪ মে টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রশ্নপত্র এবং জবাব ফাঁস হয়। তারপর ৫ মে পরীক্ষা হয়। একই দিনে এনটিএ নোটিশ ইস্যু করে জানায় রাজস্থানের একটি মাত্র সেন্টার ছাড়া বাকি সব সেন্টারে পরীক্ষা ভালভাবে হয়েছে। সেই সেন্টারে শুধু প্রশ্নপত্রের সমস্যার জন্য দেরি হয়। কানাড়া এবং এসবিআইতে দু’টি সেটের প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। ভুল করে ১২০ জন পড়ুয়াকে কানাড়া ব্যাঙ্কের সেট প্রশ্ন দিয়ে দেওয়া হয়। তার জন্য সময় নষ্ট হয়।
আবেদনকারীরা দাবি করেন, ২০২০ সালে একজন মাত্র পড়ুয়া ৭২০ নম্বর পেয়েছিল। ২০২৩ সালে মাত্র ৩ জন। আর এবার প্রথমবার ৬৭ জন ৭২০ নম্বর পেয়েছিল। যার মধ্যে ৬ জন গ্রেস মার্কস পেয়েছিল। এরপরেই প্রধান বিচারপতি জিজ্ঞাসা করেন, এটা কি সত্যি যে ১৫৬৩ জনকে গ্রেস মার্কস দেওয়া হয়েছিল ভুল প্রশ্ন দেওয়ার জন্য? এটা কি নিশ্চিত যে এনটিএ র প্রশ্নপত্র লিক হয়েছিল? এটা কোথায় প্রমাণ হচ্ছে যে প্রশ্নপত্র লিক হওয়াটা বৃহত্তর ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের প্রভাবিত করেছে? কতগুলো সেন্টারে এবং শহরে পরীক্ষা হয়েছিল? কত পড়ুয়া অ্যাপিয়ার করেছিল? কীভাবে বিদেশে প্রশ্নপত্র গিয়েছিল?’’
আবেদনকারীরা জানান, যাঁরা প্রশ্নপত্র লিকের ফায়দা তুলেছে এবং যারা সুবিধা নেয়নি তাঁদের আলাদা করা সম্ভব নয়, তাই রি টেস্ট করা হোক৷ স্ক্যাম সিস্টেমিক লেভেলে হয়েছে কিনা এটা বলা সম্ভব নয় বলছে এনটিএ নিজেই৷ পাটনা, দিল্লি, রাজস্থান, মহারাস্ট্র, গুজরাত এবং ঝাড়খন্ডে ৬টি এফআইআর হয়েছে৷ এনটিএ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্বীকার করেছে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে৷প্রশ্নপত্র হেড কোয়ার্টারে তৈরি হয়েছিল। গ্রুপ অফ এক্সপার্টসরা দুটো সেটের প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছিল। আগামী বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানি৷ তারমধ্যে আবেদনকারীদের একসঙ্গে একটা কনসোলিডেটেড সাবমিশন দিন। কেন তাঁরা রিটেস্ট চাইছেন।




