Special News Special Reports State

এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে তলব ইডির

0
(0)

খবর লাইভ : নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এ বার হুগলি থেকে ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে তাঁকে ডাকা হবে বলে। শুধু প্রিয়াঙ্কা নন, শান্তনুর ছায়াসঙ্গী রাকেশ মণ্ডল এবং আরও কয়েক জন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

ইডির দাবি, নামে-বেনামে একাধিক সম্পত্তির মালিক শান্তনু ছায়াসঙ্গীদের নামেও একাধিক সম্পত্তি কিনেছিলেন।ইডির নজরদারির আওতায় রয়েছেন শান্তনুর ঘনিষ্ঠ কয়েক জন এজেন্টও। চাকরিপ্রার্থীদের অবৈধ উপায়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এই এজেন্টদের মাধ্যমেই বাজার থেকে টাকা তোলা হত বলে ইডির অভিযোগ।
তা ছাড়া শান্তনুর সংস্থা ‘ইভান কনট্রেডে’র ডিরেক্টর পদেও ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। এই সংস্থাটি ছাড়াও নির্মাণ সংস্থা এবং অন্যান্য সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন শান্তনু। ইডি সূত্রের খবর, এই সংস্থার মাধ্যমে একাধিক সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। এই সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ইডি সূত্রের খবর, এই সংস্থার মাধ্যমে একাধিক সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। এই সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছিল কি না, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পরেই প্রকাশ্যে আসে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির কথা।
তদন্তে প্রকাশ্যে আসে, নামে-বেনামে একাধিক জমি, ফার্ম হাউস রয়েছে তাঁর। শুধু নিজের নামেই নয়, তাঁর স্ত্রীর নামেও একাধিক বিনিয়োগ করেছিলেন প্রাক্তন যুব নেতা। এর আগে চুঁচুড়া জগুদাসপাড়ার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে সেটি সিল করে দিয়েছিল ইডি। গত ২ এপ্রিল সিল খুলে সেই ফ্ল্যাটে ঢোকেন প্রিয়াঙ্কা। যদিও তিনি জানান, ইডির অনুমতি নিয়েই তালা ভাঙা হয়েছে।
কিন্তু স্বামীর গ্রেফতারির পর থেকেই বেপাত্তা প্রিয়াঙ্কা। কোথায় তিনি? কীভাবে এত সম্পত্তির মালিকই বা হলেন তিনি? গোটাটাই এখনও ধোঁয়াশা।হুগলির বলাগড়ের বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলাগড় উচ্চবালিকা বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি। পরে বিজয়কৃষ্ণ কলেজ থেকে স্নাতক হন তিনি। পাশ করেছিলেন বিএডও। ছোট থেকেই আঁকতে পছন্দ করতেন তিনি। আঁকা শেখাতেনও। দীর্ঘদিন ধরে শান্তনুর সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল প্রিয়াঙ্কার। ২০০৫ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। দম্পতির একটি সন্তানও রয়েছে।
বিয়ের পর তিনি একটি বুটিক খুলেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ম্যাজিকের মতো বাড়তে থাকে ব্যবসা, সম্পত্তি। তাঁকে জেরা করলেই বহু গোপন তথ্য প্রকাশ্যে আসবে বলেই ধারণা তদন্তকারীদের।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *