খবর লাইভ : রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ খারিজ প্রসঙ্গে কংগ্রেসসহ অন্য বিরোধী দলগুলো যখন ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করছে, তখন পালটা আক্রমণের পথ বেছে নিল বিজেপিও।রবিবার দুপুরে বিজেপির ফেসবুক পেজে কংগ্রেস আমলের ‘দুর্নীতি’ নিয়ে একটি ৩ মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এতে দাবি করা হয়- মনমোহন সিং সরকারের আমলে ভারতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।
দুর্নীতিগুলোর জন্য সরাসরি দায়ী করা হয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধিকে।বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কংগ্রেস আমলের দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ভিডিও প্রকাশ করে যাবে তারা। গোটা এপিসোডের নাম রাখা হয়েছে ‘কংগ্রেস ফাইলস’।
ইউপিএ (ইউনাইটেড প্র্রগ্রেসিভ এ্যালায়েন্স) আমলে কয়লা কেলেঙ্কারি, টুজি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারি, কমনওয়েলথ গেমস কেলেঙ্কারি নিয়ে রাজনৈতিক চাপান-উতোর চলেছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে এগুলির উল্লেখ আছে।রীতিমতো পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করা হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এক দশকে দেশে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।
কিছু দিন আগেই ইডি এবং সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে অপব্যবহার করার অভিযোগ তুলে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস, তৃণমূল, আপ, সিপিএমসহ মোট ১৪টি দল। এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলগুলোকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘দেশে ভ্রষ্টাচারী বাঁচাও আন্দোলন চলছে’।বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, বেছে বেছে বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের টার্গেট করছে ইডি, সিবিআইয়ের মতো সংস্থাগুলো।
পালটা বিজেপির তরফে বলা হয়, দুর্নীতিগ্রস্ত দলগুলো তদন্তের হাত থেকে বাঁচতেই এসব দাবি করছে। এই পরিস্থিতিতে ভিডিও প্রকাশ করে ‘দুর্নীতি’র খতিয়ান তুলে ধরাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য জানায়নি কংগ্রেস।




