খবর লাইভ : করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে প্রভাব ফেলেছে রাজ্যেও। অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালে বেড আর অক্সিজেন না থাকার। তার উপর কেন্দ্রের উদাসিনতায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন, জীবনদায়ী ওষুধ আসছিল না রাজ্যে। যদিও তখন বঙ্গে ভোট পরিস্থিতি। তাই নিয়ন্ত্রণ করতে সময় লাগলেও ক্ষতি করে দিয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। কথায় বলে, ‘সাবধানের মার নেই।’ তাই এবার আগাম সাবধান হয়েই রাস্তায় নামছে রাজ্য সরকার।
কিছুদিন আগেই এইমস প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, ছয়-আট সপ্তাহের মধ্যেই দেশে আছড়ে পড়বে করোনার তৃতীয় ঢেউ। আর এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হবেন শিশুরা, তাই বাড়তি সতর্কতা নিয়ে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবন। সূত্রের খবর, রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। কী করা উচিত? কোন কোন দিকে নজর দেওয়া উচিত সব ঠিক করতে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজ্যকে পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে এই কমিটিকে। এই কমিটিতে মেডিসিন, ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন, সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সহ বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসকরা আছেন। পিজি হাসপাতালেরই ছয় অধ্যাপক রয়েছেন কমিটিতে, এমনটাই জানা গিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে। কমিটি গঠনের চিঠির উপরে লেখা কোভিড নাইনটিন/ আর্জেন্ট দেখেই বোঝা যায় রাজ্য সরকার তৃতীয় ঢেউকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।
দেশে তৃতীয় ঢেউ আসবেই। দিল্লি সহ একাধিক রাজ্য ইতিমধ্যেই পর্যাপ্ত পরিকল্পনা নিয়ে ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গও তৈরি, তাই আরও একটু বেশি সতর্ক থাকতে আগাম বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে গোড়া থেকেই করোনার তৃতীয় ঢেউকে মাথাচাড়া না দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।




