খবর লাইভ : করোনা মহামারীতে বাতিল করা হয়েছে রাজ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। কিন্তু পড়ুয়াদের রেজাল্ট কীভাবে মূল্যায়ন হবে? শুক্রবার পদ্ধতির কথা ঘোষণা করল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সমান মূল্যায়ন করা হবে নবম শ্রেণির রেজাল্টের ভিত্তিতে। অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একইসঙ্গে বিচার করা হবে মাধ্যমিক ও একাদশ শ্রেণির রেজাল্ট।
এদিন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ একসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করে। প্রথমেই জানানো হয়, মাধ্যমিকের রেজাল্ট কীভাবে মূল্যায়ন হবে। ড. কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, নবম শ্রেণির রেজাল্টের ৫০ শতাংশ ও দশম শ্রেণির স্কুল পরীক্ষার ফলাফলের ৫০ শতাংশ যোগ করে প্রতিটি বিষয়ে নম্বর নির্দিষ্ট করা হবে। এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে যদি কোনও পরীক্ষার্থীর আপত্তি থাকে, তাহলে তার জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ওই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত হিসেবে বিচার্য হবে।
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির পরই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের রেজাল্ট মূল্যায়নের পদ্ধতি জানান উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি ড. মহুয়া দাস। তিনি জানান, এক্ষেত্রে যেমন থিওরি ৭০ ও প্র্যাকটিক্যাল ৩০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়, নম্বর বন্টনের ক্ষেত্রে সেই পদ্ধতিই মেনে চলা হবে। তবে থিওরির ৭০ নম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের নম্বর দেওয়া হবে মাধ্যমিক এবং একাদশ শ্রেণির প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে। মাধ্যমিক থেকে ৪০ শতাংশ এবং একাদশ শ্রেণির রেজাল্ট থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর মিলিয়ে থিওরির মোট ৭০ নম্বরের মধ্যে নম্বর দেওয়া হবে। অন্যদিকে দ্বাদশ শ্রেণির প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। বাকি মোট ৩০ নম্বরের মধ্যে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর গ্রাহ্য করা হবে।
এই পদ্ধতিও যদি কোনও পরীক্ষার্থী মানতে না চায়, তাহলে সেক্ষেত্রে তার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। তবে মাধ্যমিকের মতোই একই রকম ভাবে ওই লেখা পরীক্ষার ফলাফলই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।




