খবর লাইভ : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আপাতত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। ধেয়ে আসবে তৃতীয় ঢেউ! আর এই সময়ে আক্রান্ত হবে ছোটরা, অর্থাৎ নাবালক ও শিশুরা। চিকিৎসকদের মতে ২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আর চিন্তার মূল কারণ এই বয়সীদের জন্য ভারতে নেই কোনও টিকা। কিছুদিন আগেই ভারত বায়োটেকের তরফে জানানো হয়, তাঁদের তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’ ২-১৮ বছরের শিশুদের মধ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। সেইমতো আজ পরীক্ষামূলক ভাবে দিল্লির এইমসে ২-১৮ বছরের শিশুদের মধ্যে ‘কোভ্যাক্সিন’-এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল দেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে ১২-১৮ বছরের শিশুদের মধ্যে ‘কোভ্যাক্সিন’-এর ট্রায়াল দিয়েছে এইমস পাটনা। সেই ট্রায়ালে সফলত আসতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন চিকিৎসকেরা। ডিসিজিআই-এর অনুমতি পাওয়ার পরই দিল্লির এইমস-এর তরফে এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। তিনটি গ্রুপে আলাদা আলাদা করে মোট ৫২৫ জন শিশুদের মধ্যে চলবে এই করোনার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল রান। প্রথম গ্রুপে ১২-১৮ বছরের শিশুরা রয়েছে যাদের সংখ্যা ১৭৫, অন্য আরও এক গ্রুপে রয়েছে ৬-১২ বছরের শিশুদের যাদের সংখ্যা ১৭৫ জন আর তৃতীয় গ্রুপে রয়েছে ২-৬ বছরের শিশুরা।
৫২৫ জন শিশুরাই ‘কোভ্যাক্সিন’-এর দুটি ডোজ নেবেন ২৮ দিনের ব্যবধানে। পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্রক্রিয়া সফল হলে হয়তো করোনার তৃতীয় ঢেউ এলেও কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য। ইতিমধ্যেই গোটা দেশে একাধিক রাজ্য করোনার তৃতীয় ঢেউ-এর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।




