State

‘রায় ও ব্যানার্জি পরিবারের মধ্যে কী সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, তা আমার জানা নেই’! মুকুল প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অর্জুন

0
(0)

খবর লাইভ : করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে একমো সাপোর্টে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়। তাঁকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেখতে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে হাজার বিতর্ক। হাসপাতলে অভিষেকের যাওয়া তারপর মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের মুখে তাঁর প্রশংসা বিজেপি যে ভাল চোখে দেখছে না, এদিন তা কার্যত স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর সাফ দাবি, ‘দলের কর্মীরা যখন ঘরছাড়া তখন এই কাকিমা-ভাইপো সম্পর্ক ভাল চোখে দেখছে না সাধারণ মানুষ।’ অনেকটা আতঙ্কের সুরে বলেই ফেললেন, ‘রায় ও ব্যানার্জি পরিবারের মধ্যে কী সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, তা আমার জানা নেই।’

একসময় সাপেনেউলে সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে অর্জুনকে রাজনীতিতে মুকুলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি বলেই মনে করা হয়। আর সকলের মতো তিনিও মুকুলের হাত ধরেই পদ্ম শিবিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু একুশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার বিধায়ক হওয়ার পরেও কেমন তাপ-উত্তাপ ছিল না মুকুলের মধ্যে। প্রথমদিন বিধানসভায় গিয়ে যেচে তৃণমূলের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে উস্কে দিয়েছিলেন জল্পনা। পরে অবশ্য টুইটে ব্যাখ্যা করেন তিনি বিজেপিতে আছেন। এর পরেই শুভ্রাংশুর বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট। যেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘জনগণের নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা করার আগে আত্মসমালোচনা প্রয়োজন।’ এরইমধ্যে করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় মুকুলের স্ত্রীকে। তাঁকে দেখতে আচমকাই হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক। যা নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছিলেন শুভ্রাংশু।

অভিষেক মুকুল পত্নীকে মাতৃসম বলে আখ্যা দেওয়ার পরই হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুলকে ফোন করে তাঁর স্ত্রীর খোঁজ নেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব কমছে বুঝেই মুকুলকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে বিজেপি সরকার। মুকুল যখন রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছেন, ঠিক তখনই বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন অর্জুন। এদিন তিনি বলেন, ‘লক্ষ লক্ষ কর্মী বাড়িছাড়া। ভোট পরবর্তী হিংসায় অনেক কাকিমার কোল খালি হচ্ছে। শহিদ সৈকত ভাওয়ালের খুনিরা পার পেয়ে গেল। সেখানে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা মানায় না। জানি না, রায় ও ব্যানার্জি পরিবারের মধ্যে কী সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে!’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *