খবর লাইভ : যশের জের। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি ঠিকই। তবে রাজ্যের প্রায় ১ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে ১৩৪টি নদী বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যশের দাপটে। সেই সব নদীবাঁধ মেরামত করতে রাজ্য সরকার টাস্ক ফোর্স গঠন করছে।
যশ এবার ঝাড়খণ্ডের দিকে পা বাড়িয়েছে। তাই সেখানেও প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ডিভিসির জলাধারগুলি জল ছাড়ছে কিনা এই বিষয়ে সেচ দফতরকে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে সবাইকে আরও একবার সতর্ক করে দিয়েছেন যাতে ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষেরা তড়িঘড়ি করে তাঁদের বাড়িতে ফিরে না আসেন। কেননা আগামিকাল আরও বড় কোটালের বান আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিন দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ রাত ৮টা ৩৫ মিনিট নাগাদ আবার বান আসতে পারে। তাই ত্রাণ শিবিরে যাঁরা আছেন তাঁরা এখনই বাড়ি ফিরবেন না। রাজ্যে ১৩৪টি নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়-বৃষ্টিতে। বৃহস্পতিবার আরও বড় বান আসতে পারে সমুদ্রে। কালও বৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পর্যায়ের প্রভাবকে অবহেলা করা যাবে না। জল বাড়তে পারে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা এড়াতে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখাও হয়েছে। এব্যাপারে আমরা সরকারি এবং বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলেছি। আমি সাধারণ মানুষকেও অনুরোধ করব বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার। বাঁধ মেরামতিতে কেন্দ্র সাহায্য করে না। তাই বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে সেচ দফতরকেও সব জলাধারে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছি।



