State

যশের তাণ্ডবে ভয়াবহ অবস্থা দিঘা-মন্দারমণির

0
(0)

খবর লাইভ : যশ সরাসরি হানা দিল না ঠিকই কিন্তু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম হল না। বাংলার বেশ কিছু জায়গা ইতিমধ্যেই প্লাবিত হয়েছে নদী ও সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে। দিঘাতেই সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। তার জেরে উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে কোথাও কোমর, কোথাও বুক, কোথাও আবার এক গলা জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। একই হাল মন্দারমণিতেও। বিরাট ঢেউ আছড়ে পড়ছে সেখানেও।

ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে জেলা প্রশাসকদের সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে। কারণ আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আসতেই আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে। ঘূর্ণিঝড় যশের প্রভাবে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এই জেলা। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। শুধু পূর্ব মেদিনীপুর নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনাকেও সতর্ক করা হয়েছে। কারণ ইতিমধ্যেই ফ্রেজারগঞ্জ প্লাবিত। এর পাশাপাশি আজ বুদ্ধপূর্ণিমার ভরা কোটাল এবং পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। ফলে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রবল জলোচ্ছ্বাস।

দিঘা, শংকরপুর, সুন্দরবন সহ উপকূলের বেশ কিছু এলাকায় মঙ্গলবার থেকেই বাঁধ উপচে হুরমুড়িয়ে ঢুকতে থাকে জল। আজ সকাল থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। পাড়ে এসে আছাড় দিচ্ছে দৈত্যাকার ঢেউ। ঝড়ের কারণে আজ মারাত্মক জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। জোয়ারের কারণে সেই জলোচ্ছ্বাস আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের তরফে নির্দেশ, দিঘা সহ সমুদ্রতীরবর্তী কোনও হোটেলে পর্যটক রাখা যাবে না।

ইতিমধ্যেই নামখানা থেকে হিঙ্গলগঞ্জ একাধিক এলাকায় কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বাঁধ উপচে জল ঢুকতে শুরু করেছে এলাকায়। পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুরে প্রায় ৫ কিমি বাঁধ টপকে সমুদ্রের জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে চাষের জমি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *