State

পানীয় জলের যেন অভাব না হয়, কড়া নির্দেশ মমতার

5
(1)

খবর লাইভ : করোনার আতঙ্ক তো ছিলই। তার ওপর প্লাবন পরিস্থিতি। যার মানে, ফের ডায়েরিয়ার আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে দুর্গত এলাকায় যেন পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ করা হয় তার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রাণশিবিরগুলিতেও খাবারের গুণমান ও পানীয় জলের যাতে কোনও অভাব না হয় তা নজরে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বললেন, ‘ত্রাণ শিবিরে কেউ যাতে অসুস্থ না হয় তা দেখতে হবে। মনিটরিংয়ের জন্য কমিটি করুক স্বাস্থ্যসচিব।’

এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ১৩৪টি জায়গায় বাঁধ ভেঙেছে। গোসাবার বহু গ্রাম প্লাবিত। ৩ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া, কেন্দামারিতে অনেক বাড়ি জলমগ্ন। ভরা কোটাল একইসঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের দাপট, দুয়ে মিলে বড়সড় ক্ষতি হয়েছে বাংলার বলে দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি এই মহামারী পরিস্থিতিতে দুর্গত এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হবে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যশ পরবর্তীতে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। আন্ত্রিক, পেটের অসুখ দেখা দিতে পারে এইসময়। তাই আগেভাগে সেই দিকে সতর্ক মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘ত্রাণ শিবিরে কেউ যাতে অসুস্থ না হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। মনিটরিংয়ের জন্য কমিটি করুক স্বাস্থ্যসচিব। খাবারের সমস্যা যাতে না হয় সেদিকে খাদ্যসচিবকে নজর দিতে হবে। বিদ্যুতের কোনও সমস্যা দেখা দিলে তা তৎপরতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। কেউ বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ জানালে দ্রুত তার সমাধান করতে হবে।‘ এরই পাশাপাশি পরিশ্রুত পানীয় জলের দিকে নজর দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এখন দুর্গত এলাকার মানুষকে পানীয় জল সরবরাহ করতে হবে। ব্লকে ব্লকে জলের ব্যবস্থা করতে হবে। পানীয় জল থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হন। কেউ যাতে দূষিত জল খেয়ে মারা না যান, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *