State

যশের ঝাপ্টা থেকে বেঁচে যেতে পারে কলকাতা

0
(0)

খবর লাইভ : ‘আসছে…ওই আসছে।’ গুটি গুটি পায়ে নয়। বড় বড় থাবা ফেলেই এগিয়ে চলেছে ঘূর্ণিঝড় যশ। আবহাওয়া দফতরের সেই অশনি বার্তার পর দুরু দুরু বক্ষে প্রহর গুনছে কলকাতা। আবারও কি ফিরবে আমফানের সেই স্মৃতি? হাজার হাজার গাছের শিকড় সমেত উপড়ে পড়া, ডালপালা ভেঙে পড়া, টানা সপ্তাহব্যাপী জল ও বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়া। সেইসঙ্গে আছে প্রাণহানি। কলকাতা কি ফের সেই ছবি দেখতে চলেছে? এখন সাধারণ মানুষের শুধু এটাই প্রশ্ন। তবে সেই আশঙ্কা অনেকটাই নির্মূল করেছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বাংলাকে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে ওড়িশায় ল্যান্ডফল করতে চলেছে যশ। তবে ল্যান্ডফলের সম্ভাব্য সময় এগিয়ে এসেছে। বুধবার দুপুরে বালেশ্বরের কাছে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে আছড়ে পড়বে যশ। সেই সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতি পৌঁছে যেতে পারে সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। একই গতিবেগ থাকতে পারে পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলেও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, আমফানের মত অতটা ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কম কলকাতা এবং লাগোয়া এলাকায়। তবে বুধবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে মহানগরে। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা অবশ্য উপকূল এবং পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে।

আবহবিদরা বলছেন, পারাদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপের মধ্যে দিয়ে যশ আছড়ে পড়বে বালেশ্বরে। যশ যে পথ ধরে এগোচ্ছে তাতে তার অভিঘাতের বেশিরভাগটাই পড়বে বালেশ্বরের পাশাপাশি জগৎসিংপুর, কেন্দ্রাপাড়া ও ভদ্রকের ওপর। সরাসরি বাংলায় আছড়ে পড়ছে না ঘূর্ণিঝড়। বালেশ্বরে হিট করলেও তার সরাসরি প্রভাব অবশ্যই পড়বে পূর্ব মেদিনীপুরে। ওড়িশার ভদ্রক থেকে সুন্দরবন এই বিপুল জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রভাব পড়বে দুই ২৪ পরগনাতেও। সেখানে দমকা বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ১৪০-১৪৫ কিমি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *