খবর লাইভ : টানা ১১ দিন নরসংহার। অবশেষে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল ইজরায়েল ও হামাস। মিশরের মধ্যস্থতায় স্থানীয় সময় রাত ২টো (ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টে) থেকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু’র দেশ। এই ঘোষণার পরেই রাস্তায় নেমে বিজয়োল্লাসে মেতে ওঠেন গাজার বাসিন্দারা। অন্যদিকে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাস জানিয়েছে, ইজরায়েল শর্ত মেনে চললে তারাও হামলা চালাবে না।
গত ১০ মে থেকে ইজরায়েলের সঙ্গে হামাস জঙ্গিদের রকেট হামলা শুরু হয়। ওই হামলায় প্রাণ হারান বহু নিরীহ ইহুদি ও প্যালেস্তানিয়। এঁদের মধ্যে ৬৫ শিশু সহ ২৩২ জন প্রাণ হারান প্যালেস্তানের বাসিন্দা। প্রতিশোধ নিতে জেরুজালেম সহ ইজরায়েলের বিভিন্ন অংশ লক্ষ্য করে লাগাতার রকেট হামলা চালাতে শুরু করে হামাস-ও। সেই রকেট হামলায় এক ভারতীয় মহিলা সহ ১০ জন ইজরায়েলি প্রাণ হারান।
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয় বিশ্বের একাধিক দেশ। কিন্তু ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গাজায় ইজরায়েলের বাহিনীর আক্রমণকে ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ বলে দাবি করেন তিনি। জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকেও ইজরায়েলের আচরণ নিয়ে নিন্দা প্রস্তাব আটকে দেন মার্কিন প্রতিনিধি।
পরে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেই নিরাপদ আশ্রয় থেকে বেরিয়ে এসে গাজা এবং প্যালেস্তাইনের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে হাজার হাজার মানুষ উল্লাসে মেতে ওঠেন। উল্লসিত প্যালেস্তানিয়দের সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে গাজায় থাকা হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজনৈতিক নেতা খলিল আল-হাইয়া বলেন, ‘এটা জয়ের উচ্ছাস। ইজরায়েলের দম্ভ আর অহঙ্কারকে আমরা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। ইজরায়েলি বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি পুনর্নিমাণ করে দেওয়া হবে।’




