খবর লাইভ : লকডাউনের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটে একটি বহুতলে আগুন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ আগুন লাগার ঘটনাটি প্রথম দেখতে পান আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরাই খবর দেন পুলিশ ও দমকলে। একে একে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভাতে সমর্থ হন কর্মীরা।
আশেপাশের বহুতল থেকে অনেকেই ভয়ে রাস্তায় নেমে চলে আসেন। যে বহুতলে এই আগুন লেগেছে সেখানে কেউ বসবাস করেন না। সবই হয় অফিস। না হয় গোডাউন। তাই ভেতরে কারোআটকে থাকার সম্ভাবনা ছিল না এই লকডাউন পরিস্থিতিতে। তবুও পুলিশ নজর রেখেছে।
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এদিন এপিজে স্কুলের পাশে একটি বহুতল বাড়ি থেকে দুপুর ১২টা নাগাদ ধোঁয়া বার হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই দ্রুত খবর দেন দমকল ও পুলিশে। ১২৩ নম্বর পার্কস্ট্রিটের ওই বহুতলটিতে রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থার অফিস ও গুদাম। সেই রকমই একটি শাড়ির গুদামে এদিন আগুন লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাইরে থেকে আগুনের শিখা দেখা না গেলেও প্রচুর ধোঁয়া বার হওয়ায় দমকলকর্মীরা ২তলার বেশি উঠতে পারেননি। পরে দমকলের বিশেষ মই এনে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা। একে একে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আসেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। দমকলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘বহুতলের চতুর্থ তলায় থাকা শাড়ির গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকেই এই আগুন লেগেছে। গোডাউনে কেউ আটকে পড়েননি, তাই হতাহতের কোনও আশঙ্কা নেই। ’



