খবর লাইভ : সোমবার গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের চার হেভিওয়েট নেতা। তাঁরা হলেন দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সুব্রত ও মুখোপাধ্যায় এবং বিধায়ক মদন মিত্র। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ও প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। এঁরা ছাড়াও নারদ স্টিং অপারেশনে দেখা গিয়েছিল আরও বহু তৃণমূল কংগ্রেস নেতার মুখ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার সাংসদ সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অপরূপা পোদ্দার ও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সিবিআই সূত্রের খবর, এবার এই চার হেভিওয়েটকেও গ্রেফতার করতে কোমর কষে নামছেন সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই চার সাংসদকে তলব করে গ্রেফতারির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তাঁরা। কবে তৃণমূলের চার সাংসদকে গ্রেফতার করা হবে? সেই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য উত্তর এসেছে এক লাইনের, ‘নির্ধারিত সময় এলেই সব জানতে পারবেন।’ সিবিআই সূত্রে আরও খবর, বর্তমানে সংস্থার শীর্ষ পদে রয়েছেন প্রবীণ কুমার সিনহা। ১৯৮৮ ব্যাচের গুজরাত ক্যাডারের এই আইপিএস বিজেপির কট্টর সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে মধ্যপ্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস ঋষিকুমার শুক্লা অধিকর্তার পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরে নতুন কাউকে ওই পদে না বসিয়ে আনা হয় প্রবীণ কুমার সিনহাকে। এতে বিরোধীরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগও তোলেন।
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি সরব হন সৌগত ও কাকলি। সূত্রের খবর, সেই ‘প্রতিশোধ’ তুলতে সিবিআইকে ব্যবহার করা হতে পারে। আর প্রসূন ও অপরূপার ক্ষেত্রে কেন তোড়জোড়? সৌগত ও কাকলিকে গ্রেফতার করা হলে যেন ঘাসফুল শিবির কোনও অভিযোগ করতে না পারেন, সেই কথা ভেবেই এই পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিজেপির ক্ষেত্রে বলির পাঁঠা করা হতে পারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডাকে। আপাতত মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়া এড়াতেই শঙ্কুদেবকে বলির পাঁঠা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।




