খবর লাইভ : টেলিফোনে খুব জরুরি একটি ফোন করতে চাইলে আপনাকে অন্তত এক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। আপনাকে শোনানো হবে টিকাকরণের সরকারি বিজ্ঞাপনী বার্তা। তাতে বলা হবে আপনারা টিকা নিন এবং তারপরও মাস্ক পরুন এবং সতর্কতা বিধি মেনে চলুন। সেটা শেষ হলে তারপর আপনার লাইন কানেক্ট করা হবে। এই বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই হয়েছে। বিরোধী দলগুলি বিষয়টিকে দেখছে ভন্ডামি হিসাবে। কারণ দেশে টিকার হাহাকারের মাঝে মনে হয় এই বার্তা এক নিষ্ঠুর রসিকতা।
কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিরক্তিকর মেসেজে মানুষকে টিকা নেওয়ার বার্তায় কেন্দ্র বৃহস্পতিবার সমালোচনার মুখে পড়ল দিল্লি হাইকোর্টের। আদালতে এদিন প্রশ্ন করেছে, কতদিন আমাদের এই টিকা নেওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বার্তা শুনতে হবে? দেশে পর্যাপ্ত প্রতিষেধকের অভাব রয়েছে। হাইকোর্ট বলেছে, টেলিফোন করতে গেলে প্রথমে শুনতে হয় এই বিরক্তিকর বার্তা। কতদিন শুনতে হবে কে জানে, অথচ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পর্যাপ্ত টিকা নেই।
কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে আদালত বলেছে, মানুষকে টিকা নিতে বলছেন অথচ টিকা দিতে পারছেন না। তাহলে টেলিফোনে এই বার্তা প্রচারের অর্থ কী?এই মন্তব্য করেছে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি বিপিন সংঘবি এবং বিচারপতি রেখা পল্লির বেঞ্চ। প্রত্যেককে আপনারা টিকা দিন, যদি টাকা নিতে হয়, তাই নিন, কিন্তু সবাইকে টিকা দিন। সময় চলে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার যদি বার্তা দিতে চায় তাহলে বার্তা দিন কবে টিকা দেবেন, তারিখ জানান। এরপর আদালত কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারকে নির্দেশ দেয় আগামী ১৮ মে তারিখের আগে কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার।




