খবর লাইভ : যে কোনও রাজনৈতিক দলের ভাগ্য তাঁর হাতে। কোন দল জিতবে, কোন দল কুপোকাত হবে হিসেব কষে বলে দেওয়া তাঁর কাছে নস্যি। সেই প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক ভবিষ্যতেই নাকি দুশ্চিন্তার কালো মেঘ!
একুশের বাংলার মহারণে তৃণমূলের ভোটকুশলী ছিলেন আইপ্যাক কর্তা। বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ যখন বলছেন, ২০০-র বেশি আসন পাবে তাঁদের দল। তখন পিকের পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছিল, দুই অঙ্ক পেরোলে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেবেন তিনি। যা বলেছেন, তাই মিলে গেছে অক্ষরে অক্ষরে। ২ মে ফলঘোষণা হয় বঙ্গ বিধানসভার। তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন, ভোটকুশলী আর থাকতে চান না তিনি। তাহলে পরবর্তীতে কোন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে? মাঝে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পঞ্জাবে পিকে প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইসর হিসাবে যোগ দিচ্ছেন। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, ওই পদে তিনি নাও যোগ দিতে পারেন। সূত্রের খবর, এই দায়িত্ব থেকে হয়তো অব্যাহতি নিতে পারেন তিনি।
পঞ্জাব সরকার সূত্রে খবর, প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইসরি হিসেবে হয়তো কাজ চালিয়ে নাও যেতে পারেন আইপ্যাক কর্তা। দলের অনেক নেতাদের পিকে বলেছেন, তিনি এই দায়িত্বভার নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক নন। এই প্রসঙ্গে এক কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘নিজেদের বিধায়কদের নিয়েই সমস্যার মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি ভালো নয়। মনে হচ্ছে, এই সরকারের অংশ হতে চাইবেন না প্রশান্ত।’ এদিকে প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইসর হিসেবে প্রশান্তের নিয়োগকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই পঞ্জাব সরকারকে নোটিশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। শেষ পর্যন্ত পিকে যদি সরে আসেন তাহলে তার প্রভাব পড়বে পঞ্জাব সরকারের ওপর। এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।




