খবর লাইভ : ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি দাবি করেছেন, শিক্ষক নিয়োগে যেভাবে দুর্নীতি হয়েছে, ঠিক সেভাবেই হজ ইন্সপেক্টর নিয়োগেও দুর্নীতি চলছে। বুধবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে এই অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নওশাদ।
প্রতি বছর রাজ্য থেকে হজে যাওয়া তীর্থযাত্রীদের জন্য হজ ইন্সপেক্টর নিয়োগ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ১৫০ জন তীর্থযাত্রী পিছু একজন করে ইন্সপেক্টর নিয়োগ করা হয়। সরকারি কর্মীদের মধ্যে ইচ্ছুকদের আবেদন করতে বলা হয়। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মুম্বাইয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে ইন্সপেক্টর হিসেবে তাদের নিয়োগ করা হয়।
নওশাদ সিদ্দিকি দাবি করেছেন, এবছর রাজ্যে প্রায় ৫,৪০০ জন তীর্থযাত্রী হজে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “হজ ইন্সপেক্টর নিয়োগের জন্য যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাদের বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগ করা হচ্ছে। এই নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা কোনো প্রশিক্ষণও নেননি। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ।
তিনি আরও বলেন, “যেভাবে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে, ঠিক সেভাবেই হজ ইন্সপেক্টর নিয়োগেও দুর্নীতি চলছে। যারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, তাদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের নিয়োগ করা হচ্ছে।
এই দুর্নীতির বিষয়ে তিনি সেন্ট্রাল হজ কমিটি এবং ভারত সরকারের সংখ্যালঘু দফতরের মন্ত্রীদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো সদুত্তর না মেলায়, তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
নওশাদ সিদ্দিকির এই অভিযোগ রাজ্যের হজ ইন্সপেক্টর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন তুলে ধরেছে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।




