খবর লাইভ : জল্পনার অবসান। বিজেপি পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার হেস্টিংসে নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দুকে বেছে নেন বিজেপি বিধায়করা। বৈঠকে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদব।
গত কয়েকদিন শুরু হয়েছিল জোর টানাপোড়েন। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কে পাবেন, শুভেন্দু নাকি মুকুল রায়? এই নিয়ে শুরু হয় জোর টক্কর। যদিও সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ খুল্লামখুল্লাই মুকুলের বিরোধিতায় দলের অন্দরে সরব হয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন সঙ্ঘের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত শান্তিপুর থেকে জয়ী জগন্নাথ সরকার কিংবা মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গার মধ্যে কাউকে বিরোধী দলনেতা করা হোক।
সূত্রের খবর, দিলীপের সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি শুভেন্দুকেই বিরোধী দলনেতা করার কথা জানিয়ে দেন তাঁরা। দলের দুই শীর্ষ নেতার মনোভাব জানতে পারার পরেই এদিন হেস্টিংসে দলের নির্বাচনী কার্যালয়ে পরিষদীয় দলের নেতা পদে শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করেন মুকুল। আরও ২২ জন বিধায়ক মুকুলের প্রস্তাব সমর্থন করেন। বাকি বিধায়করা কোনও নাম প্রস্তাব না করলেও শুভেন্দুর বিরোধিতাও করেননি। ফলে শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে উপস্থিত কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বৈঠকে জানিয়ে দেন, শুভেন্দু শুধু বিজেপি পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন না বিরোধী দলনেতারও দায়িত্ব সামলাবেন।
তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এদিন কার্যত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলীয় বিধায়কের সমর্থন না থাকা সত্ত্বেও যেভাবে শুভেন্দুকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হল, তা নজিরবিহীন।




