State

রাজ্যে এখনই সম্পূর্ণ লকডাউন নয়, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

0
(0)

খবর লাইভ : করোনার দাপটে কাঁপছে বাংলা। লাগামহীন সংক্রমণ কিছুতেই রোখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আমআদমির মনে অনেকেরই প্রশ্ন, অন্যান্য রাজ্যের মতোই কি বাংলাতেও লকডাউন হবে? আজ সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীই। রাজ্যে সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবছে না রাজ্য সরকার। কারণ সম্পূর্ণ লকডাউন হলে সবচেয়ে অসুবিধায় পড়বে গরিব মানুষ। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন রাজ্যে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হবে না। তবে রাজ্যের মানুষকে সম্পূর্ণ লকডাউনের মত করে চলাফেরা করতে হবে। এদিন সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি বলেন, কোভিড মোকাবিলা আমাদের অগ্রাধিকার। সাধারণ মানুষের সাহায্য ছাড়া সরকারের পক্ষে এই অতিমারীর সঙ্গে লড়াই করা একক ভাবে সম্ভব নয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সম্পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা না করে, লকডাউনের মতো সাধারণ মানুষকে আচরণ করতে হবে। কারণ সম্পূর্ণ লকডাউন হলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে। গরিব মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যাবেন, সেটা আমরা চাই না। এমনিতেই লোকাল ট্রেন বন্ধ করা হয়েছে। বাজার, দোকান খোলার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রেড রোডে হচ্ছে না ঈদের নামাজ। ধর্মীয় জমায়েত, বিয়ে বাড়ি, উৎসবে জমায়েতে ৫০ জনের বেশি লোক না নিয়ে করতে বলা হয়েছে। এরজন্য প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অনুষ্ঠান করতে বলা হয়েছে। সবাইকে মাস্ক পরতে বলছি। হাত ধুতে বলছি ভালো করে। সবাই হয়তো স্যানিটাইজার কিনতে পারেন না, তাঁরা হাত ধোবেন ভালো করে। বাজার থেকে সব্জি কিনে গরম জলে ধুয়ে রান্না করতে হবে।’ মুখ্যমন্ত্রী এদিন করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে যাতে অক্সিজেন সেন্টার তৈরি হয় সেই নির্দেশও দেন। পাশাপাশি তাঁর আবেদন, বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলো যেন এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের পাশে এগিয়ে আসে।
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এদিন করোনার টিকা ও অক্সিজেন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারেরও সমালোচনা করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিয়ে সাহায্য করছে না। টিকা দিয়েও সাহায্য করছে না। তিন কোটি টিকা চেয়ে পেয়েছি মাত্র ১ লক্ষ। কেন্দ্রীয় সরকার কেন ৩০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে টিকা দিতে পারছে না, জানি না। সরকারের অগ্রাধিকার করোনা মোকাবিলা। ৬৪% ভ্যাকসিন যদি বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাহলে কোনও দেশ থেকে ভারতের চাহিদা মতো ভ্যাকসিন আনা হবে সেটা কেন্দ্রের ঠিক করতে হবে। কিন্তু এর মধ্যেও কেন্দ্রীয় দল এসে রাজ্যে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি কোভিড সরঞ্জামে জিএসটি না নিতে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *