State

ভোটে হারের জের! বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি চাইলেন বিমান

0
(0)

খবর লাইভ : বিধানসভা ভোটে শোচনীয় ভরাডুবি।বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি নিতে চান সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু। নিজের মনোভাবের কথা বামফ্রন্টের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের কাছে জানিয়েছেন তিনি। এমনই খবর আলিমুদ্দিন ভবন সূত্রে।

বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের ও আব্বাস সিদ্দিকির দলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বামেরা। এক্ষেত্রে চেয়ারম্যান হিসেবে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু। পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ ভেবেছিলেন, এই জোটের ফলে প্রভাব পড়বে ইভিএমে। এরফলে সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোটটাও পাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, জোটকে সে ভাবে ভরসাই করতে পারল না বাংলার ভোটাররা। জোট নিয়ে শুধু বামফ্রন্টের অন্দরেই নয়, এমনকি বাম মনোভাবাপন্ন বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মনেও অসন্তোষ দানা বাঁধে। সিপিএমের তিন নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য, কান্তি গঙ্গ্যোপাধ্যায় ও অশোক ভট্টাচার্যের মতো নেতারা আইএসএফের সঙ্গে জোট গড়া নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে তুলোধনা করেন।

ফরওয়ার্ড ব্লকের সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়, সিপিআই সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়রাও ক্ষোভ উগরে দিয়ে পরোক্ষে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে কাঠগড়ায় তোলেন। সূত্রের খবর, ভোটে ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেন বিমান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এক্ষেত্রে আরও একটি কারণ খুঁজে পাচ্ছেন। তা হল, নির্বাচনে এহেন ভরাডুবি আসলে বুঝিয়ে দিল, বামেদের প্রত্যাবর্তন হওয়া তো দূরের কথা, বিরোধী দলের সম্মানটুকুও নেই কপালে। আর সেটা বুঝেই বিমান বসুর মতো একজন পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *