State

আব্বাসের দলের সঙ্গে জোটই কি কাল? আড়াআড়ি বিভক্ত আলিমুদ্দিন

0
(0)

খবর লাইভ : একটা সময় হাতের সঙ্গে হাত মেলানোয় প্রবল বিতর্ক হয়েছিল সিপিএমের অন্দরে। ঠিক যেন সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি। এবার অবশ্য দলটা কংগ্রেস নয়। এবার বিতর্কের ভরকেন্দ্র পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ( আইএসএফ)। আইএসএফের সঙ্গে বিধানসভা ভোটে জোট করা নিয়ে এখন কার্যত আড়াআড়ি বিভক্ত আলিমুদ্দিন শিবির।

১৯৬৭ সালে কেরলে মুসলিম লিগের সঙ্গে জোট করে সিপিএম। তা নিয়েও কোনও বিতর্ক হয়নি দলের অন্দরে। পরে সিপিএম পার্টি কংগ্রেসে সিদ্ধান্ত হয়, লিগের মতো কোনও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে জোট করা হবে না। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। আব্বাস সিদ্দিকির দল সাম্প্রদায়িক না ধর্মনিরপেক্ষ? এই নিয়ে সিপিএম দ্বিধাবিভক্ত। দলের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, বিমান বসু, মহম্মদ সেলিমের মতো প্রথম সারির নেতাদের দাবি, আইএসএফ কোনও সাম্প্রদায়িক দল নয়। কারণ তাদের প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেয়েছে ব্রাহ্মণ থেকে আদিবাসী, মুসলিম থেকে তপশিলি সকলেই। এই যুক্তি অবশ্য মানতে নারাজ তন্ময় ভট্টাচার্য, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, অশোক ভট্টাচার্যের মত বর্ষীয়ান নেতারা। বিক্ষুব্ধদের একাংশের দাবি, রাজ্য কমিটিতে কোনও আলোচনা না করেই রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর কয়েকজন সদস্যের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আব্বাসের সঙ্গে জোট করে সিপিএম। দলের রাজ্য কমিটির আসন্ন নির্বাচনী পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ খুলতে পারেন আরও অনেক নেতা।

আব্বাসের দলের সঙ্গে কেন জোট হল? সেই উত্তর নিয়েও অবশ্য প্রস্তুত একদল নেতা। নেতাদের যুক্তি, দলকে যাঁরা সমর্থন করেন তাঁদের মধ্যে একটা বিরাট অংশ আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির যেমন রয়েছেন, তেমনই ভাষাগত, ধর্মীয়, জাতিগত যেকোনও পিছিয়ে থাকা সংখ্যালঘু অংশ দলের একটা বড় সমর্থক। এই অংশের মানুষ এবার বামফ্রন্টের পাশ থেকে সরে যাওয়ায় দলের এই বিপর্যয়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *