State

বাড়িতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট! আতঙ্ক নয়, চিকিৎসকদের পরামর্শ প্রোনিংয়ে

0
(0)

খবর লাইভ : করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ রোগীই বাড়িতে রয়েছেন। হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের অনেক সময় প্রবল শ্বাসকষ্ট হয়। কারও আবার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। এই অবস্থায় আতঙ্ক করবেন না। বরং ভরসা রাখুন প্রোনিংয়ে। এর মাধ্যমে ২৪-৪৮ ঘণ্টা বাড়িতেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।
প্রোনিং কী?
চিৎ হয়ে শুয়ে আক্রান্তকে উপুড় করে শুইয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে শ্বাস নিতে এবং অক্সিজেন পেতে সুবিধা হয়। চিকিৎসকরা বলছেন, এই পদ্ধতিতে শুলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকাংশে ঠিক হয়ে যায়।
প্রোনিংয়ে লাভ কী?
হোম আইসোলেশনে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে শ্বাসকষ্ট কিছুটা কমে। অক্সিজেন স্যাচুরেশনের উন্নতি হয়।
প্রোনিংয়ে কেন উপকার পাওয়া যায়?
ফুসফুসের মধ্যে ছোট ছোট প্রকোষ্ঠগুলো অনেকাংশে খুলে যায়। ফলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড আদান-প্রদান বাড়ে। প্রোনিং করলে প্রাণ সংশয় এড়ানো সম্ভব।
কখন দরকার প্রোনিং?
রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন যখন ৯৪ % বা তার কম হয়ে যায়, তখন অক্সিজেন থেরাপি দরকার। তা চটজলদি না পেলে কাজে লাগান প্রোনিং পদ্ধতিকে। উপকার অবশ্যই মিলবে।
তবে এক্ষেত্রে বেশকিছু সর্তকতা অবলম্বন করা দরকার। যেমন,
১) পেট ভরা থাকলে প্রোনিং করা যাবে না। খাওয়ার পর অন্তত এক ঘণ্টার ব্যবধান রাখতে হবে।
২) সারাদিনে ১৬ ঘণ্টার বেশি প্রোনিং না করানোই ভালো। অবস্থার উন্নতি না হলে সোজা হাসপাতালে ভর্তি করা দরকার।
৩) প্রেগনেন্সি, হার্টের বাড়াবাড়ি সমস্যা, ডিপ ভেন থ্রম্বোসিস কিংবা মেরুদণ্ড বা ফিমার বোন বা উরুর হাড়ে আঘাত থাকলে এই পদ্ধতি করা যাবে না।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *