খবর লাইভ : তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলে একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে! সেটা হল, ফের একবার দলে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, একুশে জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ফের একবার ঘরওয়াপসি হতে পারে শোভনের। এদিকে তার যোগদানের আগেই জোড়াফুল শিবিরে মতানৈক্য স্পষ্ট! শোভনের যোগদান প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সহ-সম্পাদক জয়প্রকাশ মজুমদারের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, “আমি যতদূর জানি তৃণমূলে যোগদান করতে গেলে আবেদন করতে হয়। শোভনবাবু সেই আবেদন করেছেন কিনা আমার জানা নেই। যদি করে থাকেন তা হলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। উনি বিজেপিতে গিয়ে বুঝতে পেরেছেন যে ওই দলে থেকে লাভ নেই। নিজের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পারেন কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সী।”
পাল্টা কল্যাণের বক্তব্য, “আমি জানি না বিজেপি থেকে এর আগে যারা তৃণমূলে এসেছেন তাঁরা সবাই আবেদন জমা করে এসেছেন কিনা। কেউ ভোটে হেরে এসছেন তা কেউ অন্য কারণে। শোভন চট্টোপাধ্যায় আমাদের দলে দীর্ঘদিন ছিল। ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব কাছের লোক। এবার যা সিদ্ধান্ত নেবার দিদি নেবে। কিন্তু, আমার কেন মনে হচ্ছে, শোভন আসার আগেই ওর বিরোধিতা করে তৃণমূলে কেউ কেউ আন্দোলন শুরু করতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করি। মমতাদির সঙ্গে আছি। এখন কানে লাগে, যারা নতুন এসেছে, তারা যখন জ্ঞান দেয়।”
কল্যাণ ও জয়প্রকাশের এই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্যের পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিতর্ক ধামাচাপা দিতে বলেন, “শোভন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই কাছের মানুষ। এই বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবার তিনি নেবেন। এর মধ্যে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি না। যা হবার সময়ের সাথে সাথেই দেখা যাবে।”




