খবর লাইভ : করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রাস্তাঘাটে কম মানুষের সংখ্যা। বাসে ট্রামে কমে গেছে যাত্রীসংখ্যা। কলকাতা সহ গোটা রাজ্যে সংকটে পড়েছে বেসরকারি বাস। এই পরিস্থিতিতে কোভিড মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য সরকারকে একটি পরামর্শ দিয়েছে। যার জেরে আরও চিন্তায় বাস মালিকরা।
কী পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র? কেন্দ্র জানিয়েছে বাসে যত আসন তার থেকে ঠিক অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহণ চলাচল করুক। গন পরিবহণের চালক ও কর্মীরা যাতে আক্রান্ত হয়ে না পড়েন তার জন্য নিয়মিত স্যানিটাইজেশনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।
আর এই পরামর্শে বেজায় সংকটে পড়েছে বেসরকারি বাস মালিকরা। কারণ বহু রুট বন্ধ। এমন রুটও আছে যেখানে বাসের সংখ্যা নামমাত্র। বিভিন্ন জেলার মধ্যে দূরপাল্লার বাস চলাচল পরিষেবাও তথৈবচ অবস্থায়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য যাত্রীসংখ্যা কমানোর সরকারি ফরমান জারি হলে আর পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে মনে করছে বেসরকারি বাস মালিকদের একাধিক সংগঠন।
অল বেঙ্গল বাস মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “৪০ আসন বিশিষ্ট একটি বাস। সাধারণত ৬০ জন যাত্রী পরিবহণ করে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী এই বাসে যদি যাত্রীর সংখ্যা ২০ তে নামানো হয় তাহলে বাসের ভাড়া ৩ গুণ করতে হবে। না হলে বাস চালানো সম্ভব নয়।” বাস মালিকরা বলছেন, এমনিতেই স্কুল-কলেজ বন্ধ। যাত্রীর সংখ্যা কম। যা ভিড় হচ্ছে সেটা সকাল ৮ টা থেকে ১১টা। আর বিকেল ৫টা থেকে ৮ টা। আর মাঝের সময়টা বাস প্রায় ফাঁকা। ফলে রোজগার একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে।
এসবের কারণে যাত্রী দুর্ভোগ চরমে। কারণ বাস-মিনিবাস এর সংখ্যা কম। সরকারি বাসও তুলনায় কম চলছে। অনেক বাসচালক কন্ডাক্টর করোনায় আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে নাজেহাল অবস্থা সাধারণ যাত্রীদের।




